রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘বালিকা মাদরাসাগুলো গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন পূরণ করছে, দরকার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা’ শতবর্ষী মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়া ন্যায়বিচারের নীতির গুরুতর লঙ্ঘন: মাহমুদ মাদানী নেপালে আমিরে মজলিসকে অভ্যর্থনা এমপিওভুক্ত মাদরাসা শিক্ষকদের বদলির গুগল ফরম পূরণের নতুন সুযোগ যে মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটিতে ঠাঁই পেলেন এমপি হানজালা রাজধানীর যানজট নিরসনে ৪ টার্মিনাল দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে মুয়াজ্জিনদের দক্ষতা উন্নয়নে দ্বিতীয় দফায় আস-সুন্নাহর ১০ দিনের প্রশিক্ষণ প্যারিসে গ্যাস বিস্ফোরণে প্রাণ গেল বাংলাদেশি শিশুর   ৪৩৪১ হাজিকে প্রায় ৫ কোটি টাকা ফেরত দিচ্ছে সরকার একজন লেখকের চিন্তার বস্তুনিষ্ঠতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক সততা

‘কলেজ বাস’ চান গোয়াইনঘাট সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশা
গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি>

উত্তর সিলেটের সর্ববৃহৎ বিদ্যাপীঠ ‘গোয়াইনঘাট সরকারি কলেজ’ গোয়াইনঘাট উপজেলাবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এ অঞ্চলের শিক্ষা, সংস্কৃতি, রাজনীতির বিকাশে কলেজটি সুনাম অর্জন করে আসছে। এটি উপজেলার একমাত্র উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। স্নাতক সম্মান, ডিগ্রী ও উচ্চমাধ্যমিক মিলিয়ে এই প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।

তবে বৃহৎ এ বিদ্যাপীঠে নেই কোন ‘কলেজ বাস’। ‘কলেজ বাস’ না থাকায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীর যাতায়াত ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে নাদিম মাহমুদ সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেইসবুকে তার টাইমলাইনে লিখেন, কলেজ বাসের অভাব যে কতটা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে- তা কেবল মাত্র কলেজটির শিক্ষার্থীরাই হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। কলেজ বাসের অভাব যে কলেজটির শিক্ষার্থীদের সুষ্ঠু শিক্ষাকার্যক্রমে কত বাঁধা সৃষ্টি করছে।

‘গোয়াইনঘাট উপজেলার অধিকাংশ পরিবার দরিদ্র হওয়ায় এবং এটিই একমাত্র উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্টান হওয়ায়, উপজেলার সিংহ ভাগ ছাত্র-ছাত্রীই এই প্রতিষ্ঠানটিতে অধ্যায়ন করে। গোয়াইনঘাট উপজেলার ১০ টি ইউনিয়ন থেকে স্নাতক ও উচ্চমাধ্যমিক পড়ুয়া প্রায় পাঁচ হাজার ছাত্র-ছাত্রী এই কলেজ থেকে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কলেজটিতে নেই কোন হোস্টেল সুবিধা এবং গড়ে প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে কলেজ ক্যাম্পাসের দূরত্ব ১৫-২০ কিলোমিটার। শিক্ষার্থীদের কলেজে আসার একমাত্র যানবাহন সিএনজি ও অটোবাইক। উক্ত উপজেলার কোন ইউনিয়ন থেকেই কলেজ রোডে কোন বাস যাতায়াত করে না। যা কলেজটির ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে 'মরার উপর খাড়ার-ঘা' হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

সিএনজি করে শিক্ষার্থীদের কলেজ ক্যাম্পাসে আসতে এবং যেতে কম করে হলেও একশত টাকা ভাড়া চুকাতে হয়। কোন কোন ইউনিয়ন থেকে আসতে-যেতে তা আবার দ্বিগুনও হয়ে যায় অর্থাৎ ২০০ টাকাও লেগে যায়। এত টাকা ভাড়া দিয়ে একজন শিক্ষার্থীর কি নিয়মিত কলেজে আসা সম্ভব?

আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, ‘কলেজ বাস না থাকায় ছাত্র-ছাত্রীরা লোকাল গাড়ীতে বোঝাই হয়ে, দরজায় দাঁড়িয়ে কলেজ ও বাসায় পৌছায় যা বিপজ্জনক। নানা সময় লোকাল গাড়ীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের মত বিড়ম্বনার শিকার হয়। এমতাবস্থায় কলেজ ক্যাম্পাসের নির্দিষ্ট কলেজ বাসের দাবি শিক্ষার্থীদের।

শিক্ষার্থীরা জানান, ‘নানান সময় বিভিন্ন মহল থেকে আশ্বাস পেয়েও শিক্ষার্থীদের এই ভোগান্তির সমাধান হচ্ছে না।’ এ সমস্যা সমাধানে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ ফজলুল হক বলেন, বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন কলেজ বাস দেওয়ার। করোনার কারণে আটকে ছিল। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে, শীঘ্রই এ সমস্যার সমাধান হবে।’

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ