বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
অবনত চিত্ত হুদায়বিয়ার সন্ধি: দৃষ্টিতে পরাজয়, বাস্তবে বিজয় স্থানীয় নির্বাচনে সবাই প্রার্থী হতে পারবেন, বেআইনি নির্দেশনা নয়: সিইসি নীলফামারীতে ছাত্র জমিয়তে একঝাঁক তরুণ শিক্ষার্থীর যোগদান জাতিসংঘে সভাপতির মেয়াদেই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান দাবি ইসলামী আন্দোলনের উত্তরায় শপিং মলে আগুন, ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে ইবনে খালদুন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাদেশি আলেমের পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন পলিথিনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আত্মহত্যা প্রতিরোধে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা বাড়ানোর তাগিদ প্রতিমন্ত্রী মুহিতের দারুল উলূম রামপুরার ইসলাহি মাহফিল ১১ সেপ্টেম্বর, প্রধান আলোচক ওলিপুরী

কন্যাসন্তান জন্মের আনন্দে ৫০ হাজার টাকার ফ্রি আপ্যায়ন ফুচকা বিক্রেতা বাবার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কন্যাসন্তানের জন্ম হওয়ার আনন্দে ব্যতিক্রমী নজির সৃষ্টি করেছেন এক ফুচকা বিক্রেতা বাবা।

কন্যাসন্তানের জন্মের খুশিতে ভূপালবাসীকে বিনামূল্যে ফুচকা খাইয়েছেন তিনি! ফুচকা খাওয়াতে ৫০ হাজারেরও বেশি টাকা খরচ করে ফেলেছেন মেয়ে হওয়ার আনন্দে।

অঞ্চল গুপ্ত নামে এ লোকটি ভূপালের কোলার এলাকায় ফুচকা বিক্রি করেন।

চলতি বছরের ১৭ আগস্ট তার কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। এটি অঞ্চল গুপ্তের দ্বিতীয় সন্তান। বছর দুয়েক আগে তার স্ত্রী এক পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন। তখনও কন্যাসন্তান চেয়েছিলেন অগুপ্ত। দ্বিতীয় সন্তান কন্যা হওয়ায় যেন স্বপ্নপূরণ হয়েছে তার।

বাঁধভাঙা খুশিতে কন্যাসন্তানের জন্মের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার পরিকল্পনা করেন তিনি। তাই আগে থেকেই তার দোকানে আসা সব ক্রেতাকে বিনামূল্যে ফুচকা খাওয়ানোর দিনক্ষণ জানাতে শুরু করেছিলেন।

ওই বিশেষ দিন বিনামূল্যে ফুচকা খাওয়ানোর কথা ঘোষণা করে একটি বোর্ডও ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন অঞ্চল। কথামতো সম্প্রতি বিনামূল্যে ফুচকা খাইয়ে কন্যাসন্তানের জন্ম উদযাপন করলেন।

বিনামূল্যে ফুচকা খাওয়ার খবর ঝড়ের গতিতে গোটা ভূপালে ছড়িয়ে পড়ে। ওই দিন বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার দোকানের সামনে রীতিমতো ফুচকাপ্রেমীদের লাইন পড়ে গিয়েছিল।

রাস্তার পাশে যেখানে ফুচকার ঠেলাগাড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি, তার পাশেই বসে খাওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন অঞ্চল।

মানুষের খাবার সুবিধার্থে কয়েকটি টেবিলও পেতে দিয়েছিলেন। প্রতি টেবিলে এক ঝুড়ি করে ফুচকা এবং তেঁতুল পানি ও অন্যান্য সামগ্রী রেখে দিয়েছিলেন। সবাইকে পরিবেশন করা তার একার পক্ষে সম্ভব ছিল না। তাই যাতে প্রয়োজনমতো ফুচকা টেবিল থেকেই নিয়ে খেয়ে নিতে পারেন অতিথিরা, সে দিকে বিশেষ নজর ছিল তার।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ