শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬ ।। ২১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইসলামি লেখক ফোরামের অভিভাবক পরিষদ পুনর্গঠন, আসছে নতুন কর্মসূচি সনদে ভুল এড়াতে মাদরাসাগুলোকে বেফাকের জরুরি নির্দেশনা বাবুনগর মাদ্রাসায় যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, জুমার শেষে যোগ দেবেন সম্মেলনে সিসেস্তার মাউন্ট বারবারো: ইতিহাসের সাক্ষী প্রাচীন মসজিদ শৈশবের বিশ্বাসের সঙ্গে ইসলামের মিল, মুসলিম হলেন মার্কিন তরুণী ফেনীতে ‘খেলাফতের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মাদরাসার বৃত্তি পরীক্ষা: কেন্দ্রসচিবদের জন্য বোর্ডের ১৪ নির্দেশনা মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদে আজ জুমা পড়াবেন যাঁরা ‘কওমি সিলেবাসের মৌলিকত্ব ঠিক রেখে যুগোপযোগী পরিবর্তন আনা দরকার’ দীর্ঘদিনের দ্বীনি খেদমতের স্বীকৃতি পেলেন মুফতি আব্দুল কাইয়ুম

কাজা নামাজ আদায়ের নিয়ম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মাদ নুরুল ইসলাম।।। আমাদের জ্ঞাত-অজ্ঞাত, ইচ্ছা-অনিচ্ছাই কতো নামায কাজা করে ফেলি। মানব জীবনে চলতে গিয়ে সুবিধা-অসুবিধায় অনেক নামায কাজা করে ফেলি।

এই কাজা নামাযগুলো আদায় করবো করবো বলে আর আদায় করা হয়না। একসময় এসে কোন অসুখে পতিত হয় নতুবা রবের ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে পাড়ি জমাই।

বর্তমান কাজা নামায থেকে নফল, সুন্নাতে গায়রে মুআক্কাদাহ নামাযের গুরুত্ব বেশি দেওয়া হয়। জানাযার নামায আদায় করতে অনেকদূর পাড়ি জমান। অথচ, ঘরের দ্বারে মসজিদের ওয়াক্তিয়া ফরয হচ্ছে, তার কোন ফিকির নেই। একটু চিন্তাও নেই।

কাজা নামায আদায় করতে নির্দিষ্ট কোন ওয়াক্তের প্রয়োজন নেই। তিনটা সময় ব্যাতিত বাকি যেকোন সময় কাজা নামায আদায় করা যাবে। সূর্য ওঠা, সূর্য ঢলে যাও, সূর্য স্থির থাকা এই তিন সময়ে নামায আদায় করা যাবেনা। হোক তা কাজা নামায কিংবা নফল। এই তিন সময় যিকির-আযকার করলে কোন সমস্যা নেই।

আমাদের উচিত, নফল ও সুন্নাতে গায়রে মুআক্কাদাহ নামায আদায় না করে কাজা নামায আদায় করা। হ্যাঁ, যদি কেউ নফল, সুন্নাত আদায়ের পাশাপাশি কাজা নামায আদায় করে, তাঁরা যেন নফল, সুন্নাতে গায়রে মুআক্কাদাহ নামায আদায় করে। এতে সে সাওয়াবের ভাগীদার হবে।

আমাদের জিম্মায় কতো ওয়াক্ত নামায কাজা আছে নির্দিষ্টভাবে জানা নেই। তখন মন যতো ওয়াক্ত সাঁই দেয়। যেমন, মন বলছে, আমার জিম্মায় যোহরের পঞ্চাশ ওয়াক্ত নামায কাজা আছে। মন এর বেশি আর সাঁই দিচ্ছে না। তখন আপনি পঞ্চাশ ওয়াক্ত যোহরের নামায কাজা আদায় করবেন। তবে, বাকি নামায ( ফযর, আছর, মাগরিব, এশা) যে পঞ্চাশ ওয়াক্ত হবে এমনটা না।

কারণ, অনেক সময় ফযরের নামায ঘুমের মধ্যে চলে যায়। আছরের নামায খেলার মাঠে চলে যায়। যোহরের নামায অফিস-আদালতে চলে যায়। হতে পারে, আপনার জিম্মায় আছরের নামায পঁয়তাল্লিশ ওয়াক্ত কাজা। ফযরের নামায ষাট ওয়াক্ত কাজা। এশার নামায বিশ ওয়াক্ত কাজা। একটা ধারণা দিলাম।

যখন আপনি কাজা নামাযগুলো আদায় করবেন, মনে মনে নিয়্যাত করবেন, আমি আমার জিম্মার সর্বপ্রথম যোহরের কাজা নামায আদায় করছি। আছরের কাজা নামায হলে যোহরের জায়গায় আছর বলবেন। যদি সম্ভব হয়, প্রতিদিন বিতরসহ বিশ রাকাআত কাযা নামায আদায় করে ফেলবেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ