বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ।। ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
যেভাবে দোয়া করলে আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না ‘শিক্ষার্থীদের জীবনে সিরাতের আদর্শ বাস্তবায়ন করতে হবে’ দক্ষতা উন্নয়নে আস-সুন্নাহর স্মল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কোর্সে ভর্তি চলছে ইসলামী যুব আন্দোলন ঢাকা দক্ষিণের পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিষদের শপথ গ্রহণ প্রধানমন্ত্রীর স্লোগানকে ‘হাদিস’ বলা সেই কর্মকর্তাকে নিজ পদ থেকে অব্যাহতি দেশের জন্য শুধু আমরাই কথা বলছি, চারদিকে নীরবতা: মাওলানা ফজলুর রহমান ৪ নভেম্বর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি রাজধানীতে বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪ শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে সরকারের ব্যর্থতাও দায়ী: ইসলামী আন্দোলন স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে নরসিংদীতে বিকেএমের মতবিনিময়

নাতিসহ ১৩৬ জন কোরআনে হাফেজকে সম্মাননা দিলো এরদোগান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বেলায়েত হুসাইন>

মুসলমানদের হাজারো ঐতিহ্যের দেশ তুরস্কে গত শুক্রবার একই সঙ্গে ১৩৬ জন কোমলমতি কোরআনে হাফেজকে সম্মনানা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার জুমার নামাজের পরে ঐতিহ্যবাহী নগরী ইস্তাম্বুলের আয়া সোফিয়া গ্র্যান্ড মসজিদে আয়োজিত এক আড়ম্বর অনুষ্ঠানে সদ্য হিফজ সম্পন্নকারী হাফেজদের এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

সম্মাননা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়িব এরদোয়ান। তার সঙ্গে দেশের আরো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদুলু এজেন্সি জানায়, ১৩৬ জন সম্মানপ্রাপ্ত হাফেজদের মধ্যে রজব তাইয়িব এরদোগানের নাতি (নাজমুদ্দিন বেলালের পুত্র) ওমর তাইয়িব এবং তুর্কি স্পিকারের ছেলে ওমর আসেম শানতুবও ছিল।

এর আগে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে সম্মননা অনুষ্ঠানের সূচনা হয় এবং প্রেসিডেন্ট এরদোগানও অনুষ্ঠান চলাকালে কোরআনে কারিমের তিলাওয়াত করেন। এসময় তিনি উপস্থিত অতিথি ও সম্মানপ্রাপ্ত খুদে হাফেজদের উদ্দেশ্যে উপদেশমূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

একই দিনে ইস্তাম্বুলের আলোচিত তাকসিম স্কয়ারে নির্মিত মসজিদ উদ্বোধনেও শামিল হন এরদোগান। মসজিদটি উদ্বোধনের আগে অনেক বাধাবিপত্তির সম্মুখীন হয় তার সরকার। কিন্তু সব প্রতিকূলতা ডিঙ্গিয়ে মসজিদটির উদ্বোধন তাদের একটি দারুণ সফলতা।

তাকসিম স্কয়ারের মসজিদের ব্যাপারে এরদোগান টুইটারে লিখেন, ‘মধ্য ইস্তাম্বুলের তাকসিম স্কয়ারের যে মসজিদ আজ মুসল্লিদের ইবাদতের জন্য উন্মুক্ত হলো, আল্লাহর ইচ্ছায় কেয়ামত পর্যন্ত তার মিনার থেকে আজান প্রতিধ্বনিত হবে’।

তিনি এ মসজিদকে ইস্তাম্বুল, তুরস্ক ও ইসলামী বিশ্বের জন্য কল্যাণ আখ্যায়িত করেছেন। আশাবাদ ব্যক্ত করে এরদোগান বলেন, ‘আল্লাহর ইচ্ছায় আমাদের এ মসজিদ সবসময় মুসল্লিদের আনাগোনায় মুখরিত থাকবে এবং সর্বদা এখানে কোরআন তিলাওয়াতের আওয়াজ গুঞ্জরিত হবে।’ সূত্র: আনাদুলু এজেন্সি

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ