রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬ ।। ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
নুসুক অ্যাপে প্রতিদিন মিলবে ওমরাহ জয়ের সুযোগ, সঙ্গে জমজমের পানি আশরাফ ফাউন্ডেশনের দুই যুগ পূর্তি উপলক্ষে ইসলাহি মাহফিল আজ শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ ইউসুফ (আ.)-এর জামা থেকে তিন শিক্ষা তুলে ধরলেন মসজিদে নববীর খতিব আইএবি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত জুমার খুতবায় হাসিনাকে ‘স্বৈরাচার’ বলায় খতিবকে অব্যাহতি! জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও কওমি সনদের পূর্ণাঙ্গ স্বীকৃতির দাবি খেলাফত মজলিসের বরুণার আত্মশুদ্ধির পয়গাম এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে ফেল, সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক করে গড়ে তুলতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী 

উইঘুর মুসলিমদের অমানবিক নির্যাতন করায় চীনা পণ্য নিষিদ্ধ করছে যুক্তরাজ্য

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিমদের জোরপূর্বক কাজ করানোর মাধ্যমে যেসব পণ্য তৈরি হচ্ছে, সেগুলো আমদানি নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য। শিগগিরই এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব ব্রিটিশ পার্লামেন্টে উপস্থাপন করবেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাব।

গত সোমবার ব্রিটিশ গণমাধ্যমগুলো এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবিসি জানায়, বছর দুয়েক ধরেই চীন-ব্রিটেন সম্পর্ক খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। বিশেষ করে চীনের বিরুদ্ধে করোনাভাইরাস সংক্রমণের তথ্য গোপনের অভিযোগ এবং হংকংয়ের গণতন্ত্রকামীদের নিপীড়নের বিষয়ে ব্রিটেন সরব হওয়ায় ক্ষুব্ধ বেইজিং। জিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর সম্প্রদায়ের সঙ্গে চীন সরকারের আচরণেরও কড়া সমালোচনা করেছে ব্রিটেন। সেখানে তুলা উৎপাদনে উইঘুরদের দিয়ে জোরপূর্বক কাজ করানোর প্রমাণ রয়েছে বলে দাবি করেছে ব্রিটিশ সরকার।

বিশ্বের প্রায় এক-চতুর্থাংশ তুলা উৎপাদন হয় জিনজিয়াংয়ে। সেগুলো জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণে টেক্সটাইল শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো যথেষ্ট সচেতন নয় বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য। অবশ্য চীন বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এদিকে দ্য গার্ডিয়ান বলছে, শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সরবরাহ ব্যবস্থা পরীক্ষায় যথেষ্ট প্রচেষ্টা দেখাতে ব্যর্থ হলে জরিমানার প্রস্তাব উত্থাপন করতে যাচ্ছেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে দ্য সান জানিয়েছে, ডমিনিক রাবের ওই প্রস্তাবে চীনের কথিত উইঘুরদের ‘কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’ সংশ্লিষ্ট চীনা কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি থাকছে না।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার উদ্ধৃতিতে বলা হয়েছে, চীনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের মূল্যবোধ এবং স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে, যেখানে উদ্বেগ রয়েছে, আমরা সেগুলো উত্থাপন করি এবং চীনকে এর জন্য দায়ী করি।

চীনের অন্যতম সমালোচক এবং কনজারভেটিভ পার্টির সাবেক নেতা ডানকান স্মিথ ব্রিটিশ সরকারের এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে তার মতে, চীনের জন্য এ ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। ওদিকে, লন্ডনে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত লিউ জিয়াওমিং গত সপ্তাহে বলেছেন, যুক্তরাজ্য চীনকে অংশীদার নাকি প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবে, সেটা ওপরই নির্ভর করছে দু’দেশের সম্পর্ক। তিনি বলছেন, ব্রিটেনের আদালতের ওপর এখন বিষয়টি নির্ভর করছে। সূত্র: আল-জাজিরা, ইকনা

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ