রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৬ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
আজ হাটহাজারী ও বাবুনগর মাদরাসায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী প্রাক্তন নেতৃবৃন্দের মূলধারায় একীভূত হওয়াকে স্বাগত জানিয়েছে জমিয়ত বাংলাদেশ খেলাফত শ্রমিক মজলিসের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ গঠন মুফতি ইয়াসির নাদিম ওয়াজেদির বিরুদ্ধে ভারতে মামলা পাকিস্তান-সৌদি ও তুরস্কের প্রতিরক্ষা চুক্তিকে স্বাগত জানালেন মুফতি তাকি উসমানী দক্ষিণ সুদান ও আবেই সফরে গেলেন সেনাপ্রধান জ্বালানি খাত বেসরকারিকরণে কর্পোরেট দখলের আশঙ্কা ‘হলগুলোতে ছাত্রদের মারামারি ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার পথ সুগম করছে’  আওয়ামী নৃশংসতার বৈশ্বিক প্রচারণা জোড়দারের আহ্বান ইসলামী আন্দোলনের একজন শিক্ষকই বদলে দিতে পারেন একটি প্রজন্ম : এমপি এনামুল

দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ণ রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মুহা. ফরিদুল হক খান বলেছেন, আজকের বিশ্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি একটি কাঙ্ক্ষিত বিষয়। এ দেশে যে কোনো মূল্যে এই সম্প্রীতি বজায় রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর।

বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে ভার্চুয়াল মাধ্যমে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাস্তবায়নাধীন ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতা বৃদ্ধিকরণ’ প্রকল্প আয়োজিত গোপালগঞ্জ জেলার আন্তঃধর্মীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজকের পৃথিবীতে যে দেশে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী যত বেশি নিরাপদ ও ভালো অবস্থায় আছে সে দেশকে ততটা সভ্য ও উন্নত দেশ হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশের সংখ্যালঘু ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলোর কল্যাণ ও নিরাপত্তা বিধানের মাধ্যমে বাংলাদেশকে আমরা একটি সভ্য দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ ও জাতি-গোষ্ঠীর মানুষের সমন্বয়ে বৈচিত্র্যময় এক শান্তিপ্রিয় দেশ। দেশের সংবিধানে প্রতিটি নাগরিকের নিজ নিজ ধর্মীয় অনুশাসন, বিধিবিধান স্বাধীন ও মুক্ত পরিবেশে প্রতিপালনের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের মানুষ ধর্মভীরু বা ধর্মের প্রতি সংবেদনশীল। জনগণের ধর্মের প্রতি এই আবেগ-অনুভূতিকে ব্যবহার করে দেশি-বিদেশি অপশক্তির মদদে গোষ্ঠীবিশেষ দেশকে নিয়ে সর্বদা চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। এদের বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিটি ধর্মই মানুষের কল্যাণের কথা বলে, শান্তির বার্তা শোনায়। সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের বিষয়টি কোনো ধর্মই সমর্থন করে না। এটি মানবতাবিরোধী অপরাধ। প্রত্যেক ধর্মের অনুসারির নিকট তার ধর্ম শ্রেষ্ঠ, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র বিষয়। এ ছাড়া প্রতিটি ধর্মের মূল বিষয়গুলোতে অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। সে সাদৃশ্যসমূহকে অবলম্বন করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বৃদ্ধি করতে হবে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ