রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৪ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৯ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
আজ সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করবে জামায়াতে ইসলামী বিশ্বসেরা কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের তালিকায় তারেক রহমান, ছাড়িয়ে গেলেন ট্রাম্পকেও বিএনপি জোটে যাচ্ছে ইসলামী আন্দোলন! যা বললেন জাহেদ-উর রহমান ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের জন্য দুঃসংবাদ নির্বাচনের আগে পাঞ্জাবি-টুপি পরে ইরি ক্ষেতে নামার ভণ্ডামি মানুষ বুঝে : হাসনাত আবদুল্লাহ  জামায়াত আমিরের সঙ্গে সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের বেঠক গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ দুই নেতাকে পাশে চান ট্রাম্প নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যার পর মিষ্টি বিতরণ মালদ্বীপ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: আসছে ই-ভিসা ও অ্যাপ আল-আজহারে ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালিত হলো পবিত্র ইসরাআ ও মেরাজ

ভারতজুড়ে কৃষক আন্দোলন ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান আন্না হাজারের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতে বিতর্কিত কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করছে কৃষকরা।

আজ মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) আন্দোলনের কর্মসূচি হিসেবে ভারত বনধ পালন করছে তারা। এবার কৃষকদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে মহারাষ্ট্রে দিনব্যাপী অনশনে বসেছেন সমাজকর্মী আন্না হাজারে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে। অনশন কর্মসূচি থেকে আন্না হাজারে কৃষকদের এই আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে সবাইকে আহ্বান জানান। আন্না হাজারে বলেন, আমি দেশের মানুষের কাছে আবেদন জানাই দিল্লিতে যে আন্দোলন হচ্ছে, তা সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে হবে। যাতে সরকার কৃষকের পক্ষে কাজ করতে বাধ্য হয়। কিন্তু কারোরই সহিংস হওয়া উচিত হবে না।

প্রথমে কৃষকদের এই আন্দোলন পাঞ্জাবে সীমাবদ্ধ থাকলেও সপ্তাহ দুয়েক আগে তা এসে পৌঁছে যায় রাজধানী দিল্লিতে। দিল্লি-পাঞ্জাব এবং দিল্লি-হরিয়ানা সীমানাতেও অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে হাজার হাজার কৃষক। উত্তরাখণ্ড, উত্তর প্রদেশ থেকেও দলে দলে কৃষক এসে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছে।

এদিকে আন্দোলনরত কৃষকদের ডাকে সারা ভারতে বনধ পালিত হয়। কেন্দ্রীয় সকারের নতুন কৃষি আইন বাতিলের দাবিতেই এই বনধ। সাধারণ মানুষের সমস্যা তৈরি না করেই এই বনধ পালিত হবে বলে আগেই জানিয়েছিল ভারতীয় কিষান সংগঠন। মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ভারতজুড়ে বনধ চলে। বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো এরই মধ্যে আন্দোলনকারী কৃষকদের সমর্থনে এগিয়ে এসেছে।

গতকাল সোমবার সকাল থেকে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বনধের প্রভাব পড়তে শুরু করে। ভারতের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয় রেল অবরোধ। লখনৌয়ের গ্রামীণ এলাকায় বনধ ঘিরে অস্থিতীশলতা রুখতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।

পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে বনধের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল হয়। বহু জায়গায় দোকানপাট এবং বাজার খোলেনি। পশ্চিমবগের বাঁকুড়াসহ একাধিক জেলায় বেসরকারি বাস রাস্তায় নামেনি। কলকাতার রাস্তায়ও বেসরকারি বাসের সংখ্যা কম।

এদিন সকাল থেকে রাজধানী দিল্লিতে বনধের ব্যাপক প্রভাব লক্ষ করা গেছে। বনধের জেরে রাজধানীতে ব্যাংক পরিষেবা বিঘ্নিত হয়েছে। রাস্তায় যানবাহনের সংখ্যাও ছিল কম। তবে সকাল পর্যন্ত বনধ ঘিরে বড় ধরনের কোনো সংঘর্ষ বা অস্থিতিশীলতার কোনো খবর মেলেনি।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ