রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৪ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৯ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
বিএনপি জোটে যাচ্ছে ইসলামী আন্দোলন! যা বললেন জাহেদ-উর রহমান ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের জন্য দুঃসংবাদ নির্বাচনের আগে পাঞ্জাবি-টুপি পরে ইরি ক্ষেতে নামার ভণ্ডামি মানুষ বুঝে : হাসনাত আবদুল্লাহ  জামায়াত আমিরের সঙ্গে সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের বেঠক গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ দুই নেতাকে পাশে চান ট্রাম্প নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যার পর মিষ্টি বিতরণ মালদ্বীপ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: আসছে ই-ভিসা ও অ্যাপ আল-আজহারে ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালিত হলো পবিত্র ইসরাআ ও মেরাজ নোয়াখালীতে পিকআপ–অটোরিকশা সংঘর্ষে শিশু নিহত, আহত ৩ ভিডিও গেম বিক্রির টাকা কি হালাল!

গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ দুই নেতাকে পাশে চান ট্রাম্প

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

গাজার অন্তর্বর্তী প্রশাসনের কার্যক্রম তদারকির জন্য গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পর্ষদে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ও মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসিকে যুক্ত হতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আংকারা ও কায়রোর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। খবর আলজাজিরা।

গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে গাজা সংকট সমাধানে নিজের শান্তি পরিকল্পনা ঘোষণা করেন ট্রাম্প। পরে অক্টোবরে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস এ পরিকল্পনায় সম্মতি দেয়। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গাজার অন্তর্বর্তী প্রশাসনের ওপর নজরদারির দায়িত্ব দেওয়া হয় বোর্ড অব পিসকে।

গত শুক্রবার হোয়াইট হাউস শান্তি পর্ষদের প্রাথমিক সদস্যদের নাম প্রকাশ করে। এতে রয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার, মার্কিন ধনকুবের মার্ক রোয়ান, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা, ট্রাম্পের উপদেষ্টা রবার্ট গ্যাব্রিয়েল এবং জাতিসংঘের সাবেক দূত নিকোলাই ম্লাদেনভ। পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে থাকছেন স্বয়ং ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তুরস্কের প্রেসিডেন্টের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, এরদোয়ান ট্রাম্পের কাছ থেকে শান্তি পর্ষদের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছেন। অন্যদিকে, মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট আল-সিসিকে দেওয়া আমন্ত্রণ সরকার পর্যালোচনা করছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় হাজার হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। গাজার প্রায় পুরো জনগোষ্ঠী বাস্তুচ্যুত হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা ও গবেষকরা এ ঘটনাকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে ইসরায়েল বলছে, হামাসের হামলার জবাব হিসেবেই তারা সামরিক অভিযান চালাচ্ছে।

গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ শান্তি পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। পর্ষদের তত্ত্বাবধানে গাজার অন্তর্বর্তী প্রশাসন প্রথমে জরুরি ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করবে। তবে শান্তি পর্ষদ গঠনের ঘোষণা সত্ত্বেও গাজায় ইসরায়েলি হামলা চলতে থাকায় এর কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন অনেক ফিলিস্তিনি।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ