বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ।। ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১০ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
চীনে প্রথম ‘বিনিয়োগ কার্যালয়’ খুলতে চায় বাংলাদেশ অপসারণ করা হলো কাবাঘরের চারপাশের ব্যারিয়ার হারামাইন প্রশাসনের সঙ্গে সুগন্ধি প্রতিষ্ঠানের তিন বছরের চুক্তি ‘মাওলানার সঙ্গে যা কথা বলেছি, কবরে নিয়ে যাব তবু প্রকাশ করব না’ ভেনেজুয়েলার পর এবার জাপানে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প ‘ট্রাম্পকে চাপের মুখে ফেলছেন নেতানিয়াহু’ শায়খে চরমোনাইর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় জমিয়তের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, নিহত ছাড়াতে পারে ১০ হাজার

রিফাত হত্যা মামলা: আদালত প্রাঙ্গণে দোয়া-দরুদ পড়ছেন আসামির স্বজনরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: কিছুক্ষণ মধ্যেই ঘোষণা করা হবে রিফাত শরীফ হত্যা মামলার রায়। রায় উপলক্ষে কারাগারে থাকা এ মামলার আট আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। হাজির হয়েছেন জামিনে থাকা নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিও।

বুধবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে র‌্যাব ও পুলিশের কড়া নিরাপত্তায় প্রিজনভ্যানে আসামিদের আদালতে নিয়ে আসা হয়। এর আগে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে বাবার সঙ্গে মোটরসাইকেলে চড়ে আদালতে হাজির হন নিহত রিফাতের স্ত্রী ও এ মামলার অন্যতম আসামি আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি।

এ মামলার রায় ঘিরে আদালত প্রাঙ্গণে নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। অন্য দিনগুলোর মতো আজ আদালতে ঢুকতে পারেননি আসামিদের স্বজনরা। এ অবস্থায় নিরুপায় হয়ে আদালতের বাইরে দাঁড়িয়ে আসামিদের মুক্তির জন্য দোয়া-দরুদ পড়ছেন স্বজনরা।

মামলার আসামি কামরুল ইসলাম সাইমুনের বাবা মুহা. লিটন বলেন, আমার ছেলে নির্দোষ। তার জন্য আদালতে সাফাই সাক্ষীও দেয়া হয়েছে। আজ তার ভাগ্য নির্ধারণ হবে। সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করছি- যাতে সাইমুন খালাস পায়। আমার ছেলে আসলেই নির্দোষ। আমি তার মুক্তির জন্য সবার দোয়া চাই।

আরেক আসামি সাগরের বাবা আবদুল হাই বলেন, আমার ছেলেও নির্দোষ। ঘটনার সময় আমার ছেলে ঘটনাস্থলে ছিল না। আদালতে ঢুকতে পারিনি। তাই বাইরে দাঁড়িয়ে ছেলের মুক্তির জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি। এছাড়া আর কিছুই করার নেই আমার।

গত ১ জানুয়ারি রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত। এরপর ৮ জানুয়ারি থেকে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করেন আদালত। মোট ৭৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে এ মামলায়। মামলার ৬ নম্বর আসামি মুসা এখনও পলাতক।

১৬ সেপ্টেম্বর মামলার দুই পক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আসাদুজ্জামান রায়ের জন্য বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিন ধার্য করেন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ