শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিশ্বমানের একটি জামিয়ার গল্প যুক্তরাষ্ট্রে জুমার বয়ান ও ইমামতি করলেন পীর সাহেব চরমোনাই শোক জানাতে মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমির বাসভবনে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ঢাকার আবহাওয়া আজ কেমন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর খেলাফত শ্রমিক মজলিসের ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ শাখা পুনর্গঠন, নেতৃত্বে যারা ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের ৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ গঠন শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান খেলাফত মজলিস আমিরের ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান

সব দেশ যেন একসঙ্গে করোনা ভ্যাকসিন পায়: জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৫তম অধিবেশনে ভার্চুয়াল ভাষণে বলেছেন, আশা করা হচ্ছে বিশ্ব শিগগিরই কোভিড-১৯-এর ভ্যাকসিন পাবে। এই ভ্যাকসিন বৈশ্বিক সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। সব দেশ যাতে এই ভ্যাকসিন সময় মত এবং একই সঙ্গে পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। কারিগরি জ্ঞান ও মেধাসত্ব প্রদান করা হলে, এই ভ্যাকসিন বিপুল পরিমাণে উৎপাদনের সক্ষমতা বাংলাদেশের রয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৫তম ভার্চুয়াল অধিবেশনে দেয়া ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, মহামারি নিরসনে আমাদের উদ্যোগ এবং এজেন্ডা-২০৩০ অর্জনে আমাদের প্রচেষ্টা সমানতালে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ‘ভলান্টারি ন্যাশনাল রিভিউ’ রিপোর্ট উপস্থাপন প্রমাণ করে যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে আমরা যথাযথভাবে এগিয়ে চলেছি। বাংলাদেশকে আমরা ২০২১ সালের মধ্যে একটি মধ্যম আয়ের দেশ, ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জন, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ এবং ২১০০ সালের মধ্যে সমৃদ্ধ ব-দ্বীপে পরিণত করতে কাজ করে যাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তিগত বিভাজন নিরসন, সম্পদ আহরণ ও প্রযুক্তি স্থানান্তরের জন্য আমাদের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনকে কাজে লাগানো প্রয়োজন। পাশাপাশি স্বল্পোন্নত হতে উন্নয়নশীল এবং সদ্য উত্তরিত উন্নয়নশীল দেশসমূহের জন্য এই আপদকালীন, উত্তরণকাল ও উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে বর্ধিত আন্তর্জাতিক সহায়তা এবং প্রণোদনা প্যাকেজ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, প্রবাসী শ্রমিকরা স্বাগতিক ও নিজ দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের অবদান রেখে চলেছেন। এই মহামারির কারণে অনেক শ্রমিক কাজ হারিয়েছেন। অনেককে নিজ দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা দেশে ফিরে আসা অভিবাসী শ্রমিকদের প্রণোদনা বাবদ ৩৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ দিয়েছি। তবে কভিড-পরবর্তী সময়ে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ভাষণে অভিবাসী শ্রমিকদের বিষয়টি সহমর্মিতার সঙ্গে ও ন্যায়সঙ্গতভাবে বিবেচনা করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও অভিবাসী গ্রহণকারী দেশসমূহের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ