শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘সোশ্যাল মিডিয়ায় বিচরণ ইলমের জন্য বহুমুখী ক্ষতির কারণ’ সংকীর্ণ মানসিকতা নিয়ে নেতৃত্বের আসনে বসা যায় না: ছাত্র জমিয়ত ঢাকার আরও দুই এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ মক্কার দিকে ড্রোন হামলার প্রচেষ্টার নিন্দা, প্রতিবাদ মিছিলের ঘোষণা ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিতে নিরাপত্তাহীনতায় রাজধানীবাসী’ সব জেলা পরিষদকে জরুরি নির্দেশনা মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্টেও হজের প্রাথমিক নিবন্ধন করা যাবে কুরআন নিয়ে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ তাহাফফুজে খতমে নবুওয়াতের হারামাইনের নিরাপত্তায় প্রতিটি পাকিস্তানি সৌদির পাশে: মাওলানা ফজলুর রহমান চট্টগ্রামে ইসলামী আন্দোলনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত

রোহিঙ্গারা বলছেন, ‘ঘর ছোট, ভাসানচরে থাকবো কিভাবে?’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভাসানচর দেখে ফিরে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থী দলের সদস্যরা সেখানকার সার্বিক অবকাঠামোকে ভালো বললেও থাকার ঘরের আকার নিয়ে অসন্তোষ জানিয়েছেন৷ তাদের মতে, ওই ঘরে দুই-তিন জনের বেশি থাকা সম্ভব নয়৷

তাদের বক্তব্য হলো আমরা সাত-আট জনের একটি পরিবার সেখানে গিয়ে কিভাবে থাকবো? আর সেখানে গিয়ে থাকলেই বোঝা যাবে বাস্তব পরিস্থিতি কী৷ তাদের কেউই এখনো ভাসানচরে গিয়ে থাকার পক্ষে মত দেননি৷ তারা বলছেন, পরিবারসহ সবার সঙ্গে কথা বলে তারপর দেখা যাবে৷ এই নিয়ে আমাদের নিজেদের মধ্যে নানা মত আছে৷ নানামুখী চাপও আছে৷

শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মাহবুব আলম তালুকদার বলেছেন, যারা ভাসানচর দেখে এসেছেন, তাদের কেউ কেউ সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন৷ তবে তাদের মধ্যে ভিন্নমতও আছে৷

রোহিঙ্গাদের দুই নারীসহ ৪০ সদস্যের একটি দলকে কক্সবাজারের শরণার্থী ক্যাম্প থেকে ভাসানচর নিয়ে যাওয়া হয় গত ৫ সেপ্টেম্বর৷ ৮ সেপ্টেম্বর তারা ফিরে আসেন৷ নৌবাহিনী ও শরণার্থী কমিশনের তত্ত্বাবধানে সেখানকার অবস্থা দেখাতে তাদের সেখানে নেয়া হয়৷ ভাসানচরে থাকা অবস্থায় ডয়চে ভেলে তাদের দুইজন মোহাম্মদ নূর ও মোহাম্মদ মোস্তফার সাথে কথা বলে৷ বৃহস্পতিবার ওই দুইজনসহ মোট তিনজনের সঙ্গে আবার কথা বলে ডয়চে ভেলে৷

মোহাম্মদ নূর বলেন, সেখানে অনেক কিছুই আছে৷ স্কুল, সাইক্লোন সেন্টার, অফিস৷ কিন্তু আটটি পরিবারের জন্য একসাথে যে থাকার ঘর করা হয়েছে তা অনেক ছোট৷ প্রত্যেক পরিবারের জন্য একটি রুম৷ আট ফুট বাই নয় ফুট৷ তাতে দুই-তিন জনের বেশি থাকা সম্ভব নয়৷ আমরা কী করে ছয়-সাত সদস্যের একটি পরিবার ওই একটি রুমে থাকবো? তার দাবি, ভাসানচরের চেয়ে কক্সবাজারে শরণার্থী ক্যাম্পে থাকার ঘর বড়৷ এখানে সুবিধা বেশি৷

ভাসানচরে যাবেন কিনা সে সিদ্ধান্ত এখনো নেননি তিনি৷ সবার সঙ্গে আলাপ-আলোচনার পর সিদ্ধান্ত জনাবেন৷ কবে আলাপ-আলোচনা করবেন তারও ঠিক নেই৷ আরো দু-একটি ক্যাম্পের যারা ভাসানচরে গিয়েছেন, তাদের ফোন করে হুমকি দেয়ারও অভিযোগ করেন তিনি৷ তাদের কথা বলতে নিষেধ করা হচ্ছে৷ তবে নিজে কোনো হুমকি পাননি বলে জানান মোহাম্মদ নূর৷

মোহাম্মদ মোস্তফাও একই কথা বলেন, থাকার ঘর ছোট৷ তবে অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভালোই আছে৷ কিন্তু ভাসানচরে যাওয়ার ব্যাপারে তিনিও কোনো মতামত জানাননি৷ তারও একই কথা, সবার সঙ্গে কথা বলি৷ দেখি তারা কী বলেন৷

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ