শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘নাগরিক প্রত্যাশা পূরণে সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে’ ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় বিচরণ ইলমের জন্য বহুমুখী ক্ষতির কারণ’ সংকীর্ণ মানসিকতা নিয়ে নেতৃত্বের আসনে বসা যায় না: ছাত্র জমিয়ত ঢাকার আরও দুই এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ মক্কার দিকে ড্রোন হামলার প্রচেষ্টার নিন্দা, প্রতিবাদ মিছিলের ঘোষণা ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিতে নিরাপত্তাহীনতায় রাজধানীবাসী’ সব জেলা পরিষদকে জরুরি নির্দেশনা মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্টেও হজের প্রাথমিক নিবন্ধন করা যাবে কুরআন নিয়ে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ তাহাফফুজে খতমে নবুওয়াতের হারামাইনের নিরাপত্তায় প্রতিটি পাকিস্তানি সৌদির পাশে: মাওলানা ফজলুর রহমান

সাবেক গণপরিষদ সদস্য এমদাদুল বারীর মৃত্যুতে মোকতাদির চৌধুরী এমপি’র শোক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বীর মুক্তিযুদ্ধা এডভোকেট সৈয়দ এমদাদুল বারীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র. আ. ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি। তিনি সৈয়দ এমদাদুল বারীর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন ও তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

আজ সোমবার এক শোকবার্তায় মোকতাদির চৌধুরী বলেন, গণপরিষদ সদস্য সৈয়দ এমদাদুল বারী ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। ১৯৭১ সালে দেশকে শত্রুমুক্ত করতে তিনি সাহসী ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি আমৃত্যু দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে দেশ হারালো তার আরেক শ্রেষ্ঠ সন্তান। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ হারালো তাদের হৃদয়ের মানুষ।

তিনি আরও বলেন, সৈয়দ এ.কে.এম এমদাদুল বারীর মৃত্যুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে তা পূরণ হবার নয়। জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তানের মৃত্যুতে আমি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, গণপরিষদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এডভোকেট সৈয়দ এ.কে.এম এমদাদুল বারী আজ সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর।

এডভোকেট এমদাদুল বারী দীর্ঘদিন যাবৎ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভোগ ছিলেন। তিনি ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি বিজলা ক্যাম্পের সভাপতি ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এমডব্লিউ/