আওয়ার ইসলাম: নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দু’টি মসজিদে গুলি চালিয়ে ৫১ জনকে হত্যা করার দায়ে ব্রেন্টন টারান্টকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ক্রাইস্টচার্চ সর্বোচ্চ আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ব্রেন্টন টারান্টকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক ব্রেন্টনের বিরুদ্ধে ৫১ জনকে হত্যা, ৪০ জনকে হত্যাচেষ্টা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে। গত সোমবার চার দিনব্যাপী সাজার শুনানি শুরু হয়।
আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কোনোভাবেই জেল থেকে মুক্ত হতে পারবেন না তিনি। এছাড়া কোনো ধরনের প্যারোলে জামিন দেয়া হবে না তাকে।
ব্রেন্টন নিউজিল্যান্ডের প্রথম ব্যক্তি, যাকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার সুযোগ না রেখে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেয়া হলো।
বিচারক ব্রেন্টন ট্যারান্ট-এর সাজা ঘোষণার সময় হামলায় বেঁচে যাওয়া এবং ভুক্তভোগীদের স্বজনরা আদালতে তার সামনেই উপস্থিত ছিলেন।
২০১৯ সালের ১৫ মার্চ ওই হামলা চালানোর সময় মাথার হেলমেটে ক্যামেরা লাগিয়ে ফেসবুকে সরাসরি সম্প্রচার করেছিলেন ব্রেন্টন। প্রথমে আল নুর মসজিদে জুমার নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিদের ওপর গুলি শুরু করেন তিনি। তারপর এই মসজিদ থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে লিনউড মসজিদের উদ্দেশে গাড়ি চালান। সেখানেও মুসল্লিদের ওপর অতর্কিতে গুলি করেন ব্রেন্টন।
এই হামলা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। হামলার পর দ্রুত অস্ত্র আইনে পরিবর্তন আনে নিউজিল্যান্ড। দেশটির সরকার দ্রুত যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রশংসিত হয়।
-এএ