আওয়ার ইসলাম: আগামী ২০২১ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পৌঁছে যাবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
আজ সোমবার বঙ্গবন্ধুর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে বিটিসিএল আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা জানান।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের মধ্যেই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ফোরজি মোবাইল নেটওয়ার্ক সুবিধা পৌঁছে দেয়ার প্রচেষ্টা চলছে। আশা করছি, ২০২১ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পৌঁছে যাবে।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ডিজিটালাইজেশনের আদর্শের পথ ধরে গত ১১ বছরে 'বিস্ময়কর' ডিজিটাল বিপ্লব হয়েছে। ২০০৮ সালেও দেশে আট জিবিপিএস ইন্টারনেট ব্যবহার হতো এবং ব্যবহারকারী ছিল মাত্র আট লাখ। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের দিক-নির্দেশনায় দেশে ১৭০০ জিবিপিএস ইন্টারনেট ব্যবহৃত হচ্ছে। আর ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১১ কোটিতে পৌঁছেছে।
মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা হাজার বছরের পরাধীন বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার পাশাপাশি যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের উপর দাঁড়িয়েও আইটিইউ, ইউপিইউ এবং বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ডিজিটালাইজেশনের বীজ বপন করে গেছেন। তার সুযোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৬ বছরের দূর দৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বের কারণে সেই বীজ আজ বিশাল মহিরুহে রূপ নিচ্ছে।
২০০৮ সালে শেখ হাসিনা ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার রূপরেখা। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালে এসে বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে সক্ষম হয়েছে। করোনাকালে গ্রামের মানুষটি পর্যন্ত এটা উপলব্ধি করছে, যোগ করেন তিনি।
আলোচনা সভায় আরো অংশ নেন- বিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. রফিকুল মতিন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. নূর-উর-রহমান, মুক্তিযোদ্ধা ও বঙ্গবন্ধু গবেষক কাজী সাজ্জাত আলী জহির, বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ড. শাহাজাহান মাহমুদ, বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ও এর অধীন সংস্থাসমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
-এটি