মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইকরা হবিগঞ্জের ফল উৎসব উদযাপিত  বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ, মৃত্যু ৫৪ ফতুল্লায় বাড়িতে গ্যাস–সংযোগ দেওয়ার সময় বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪ শ্রমিক বন্যা দুর্গত দেড় হাজার পরিবারে তাকওয়া চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ‘কৃত্রিম জলাবদ্ধতা’ তৈরির সত্যতা পেলে ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী অমিত ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষার চিন্তা করবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী ৯৮ হাজার টাকায় হজযাত্রীদের পরিবহন করতে চায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ভুল দুই প্রশ্নের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে শোকবইয়ে পীর সাহেব চরমোনাইয়ের পক্ষে সই

খুলনায় প্রথমবার করোনা রোগীর শরীরে 'প্লাজমা থেরাপি'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: খুলনায় এই প্রথমবার একজন মুমূর্ষু করোনা রোগীর শরীরে প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে খুলনা করোনা হাসপাতালে ওই রোগীর শরীরে এ থেরাপি প্রয়োগ করা হয়।

এর মধ্য দিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজের (খুমেক) অধীনস্ত করোনা ভাইরাস ডেডিকেটেড হাসপাতালে চিকিৎসার ক্ষেত্রে এক নতুন মাত্রা যোগ হলো।

খুমেকের সহকারী অধ্যাপক ও ট্রান্সফিশন মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. এস.এম তুষার আলমের নেতৃত্বে আরও পাঁচজন বিশেষজ্ঞের একটি দল এই প্লাজমা থেরাপির কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তাদের সার্বিক সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন খুমেকের উপাধ্যক্ষ ও করোনা প্রতিরোধ ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা কমিটির সার্বিক সমন্বয়কারী ডা. মেহেদী নেওয়াজ।

জানা যায়, বাগেরহাটের বাসিন্দা স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন মুহা. মঞ্জুরুল বৃহস্পতিবর খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকে তার শরীরের প্লাজমা দান করেন। তিনি গত এপ্রিল মাসে করোনায় আক্রান্ত হন এবং পরবর্তীতে চিকিৎসকের পরামর্শে সুস্থ হয়ে ওঠেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্লাড ট্রান্সমিউশন বিভাগে রক্ত সংগ্রহ করে সেল সেপারেটর মেশিনের মাধ্যমে প্লাজমা আলাদা করে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর শরীরে তা প্রয়োগ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আহাদ, খুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. মুন্সি রেজা সেকেন্দার, উপাধ্যক্ষ ও করোনা প্রতিরোধ ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা কমিটির সার্বিক সমন্বয়কারী ডা. মেহেদী নেওয়াজ, করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের ফোকাল পার্সন ডা. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. এস.এম তুষার আলম, ডা. শৈলেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, ডা. ফিরোজ, ডা. অনিক দেউরি ও ডা. সাইফ মানসুর।

ডা. তুষার আলম বলেন, খুলনায় এই প্রথম করোনা ভাইরাস চিকিৎসায় সারাবিশ্বে স্বীকৃত চিকিৎসা পদ্ধতি প্লাজমা থেরাপি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রয়োগ করা শুরু হলো। একজন করোনা জয়ীর শরীর থেকে রক্ত সংগ্রহ করে প্লাজমা আলাদা করে করোনা আক্রান্ত এক ব্যক্তির শরীরে তা প্রয়োগ করা হয়েছে।

দু’একদিনের মধ্যে ওই রোগীর শরীরে ইতিবাচক লক্ষণ প্রকাশ পাবে এবং তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আশাপ্রকাশ করেন ডা. তুষার।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ