সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
সংবিধান সংশোধন: বিশেষ কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত এমপি ভবনে গাজী নজরুলের সেই স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার  মাদক নির্মূলে শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে  রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সৌজন্য সাক্ষাৎ  নাজাত ইসলামী মারকাজের বহুমুখী কার্যক্রম নিয়ে সাংবাদিক-গুণীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারের দাবি খেলাফত মজলিসের কুমিল্লায় স্কুলছাত্র অপ্রতিম হত্যার দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সমালোচনার মুখে ‘নেক্সাস’ বই ফেরত নিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শরিয়াহ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের সমন্বয়ে গুরুত্বারোপ মিসরের গ্র্যান্ড মুফতির ‘এই ভূখণ্ডকে আমরা আর কবে বাসযোগ্য করে তুলতে পারব!’

যুক্তরাজ্যে গেলেই থাকতে হবে ১৪ দিনের কোয়ারিন্টিনে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আয়ারল্যান্ড ছাড়া যে কোনো দেশের নাগরিকরা যুক্তরাজ্য গেলেই থাকতে হবে ১৪ দিনের কোয়ারিন্টিনে। যুক্তরাজ্য কর্তৃপক্ষ এমন একটি নিয়ম শুরু করতে যাচ্ছে।

চলতি মাসের শেষ দিক থেকে নিয়মটি চালু হবে। এটি কতোদিন পর্যন্ত চলতে থাকবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শিগগিরই শেষ হবে না, এমন ধারণা করেই নতুন নিয়মটি চালু করতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য। তারা বলছে, অন্য দেশ থেকে যুক্তরাজ্যে পৌঁছানোর পর প্রতিটি ব্যক্তিকে কোয়ারিন্টিনে থাকার ঠিকানা সরকারকে সরবারহ করতে হবে এবং দেশটি সার্বক্ষণিকভাবে বিদেশ থাকা লোকদের নজরদারিতে রাখবে।

বিদেশিদের জন্য কোয়ারিন্টিন ব্যবস্থা ঠিক কিভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলেনি যুক্তরাজ্য। বিদেশিরা দেশটিতে পৌঁছালে তাদের কাছে কোয়ারিন্টিনে থাকার জন্য ঘর ভাড়া দেওয়া হবে কি না, বা তাদেরকে সরকারি কোনো ভবনে রাখা হবে কি না, সে বিষয়েও যুক্তরাজ্য কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করেনি।

দেশটির বিমান পরিবহন মন্ত্রী কেলি টোলহার্স্ট শিগগিরই এ বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রকাশ করবেন বলে জানা গেছে।

এ দিকে দেশটির বিমান পরিচালনাকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, এ ব্যবস্থা বিমান চলাচল খাতের উপর অভাবনীয় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। শুধু তাই নই, তারা মনে করছেন, এর মাধ্যমে দেশটির সামগ্রিক অর্থনীতিতেও বাজে প্রভাব পড়তে পারে।

যুক্তরাজ্যের বেশির ভাগ এয়ারপোর্টের প্রতিনিধি এয়ারপোর্ট অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ক্যারেন ডি বলেন, কোয়ারিন্টিনের চিন্তাটি শুধুমাত্র নির্দিষ্ট যাত্রীদের উপর প্রয়োগ করা হতে পারে, যাদেরকে বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে বাছাই করা হবে। এ ছাড়া অর্থনীতির যে ক্ষতি তা সরকারকে পুষিয়ে দিতে হবে।

তবে এয়ারপোর্টে যারা কাজ করেন বা শিপমেন্ট শিল্পে নিয়োজিত, তাদেরকে কোয়ারিন্টিনে থাকতে হবে না।

যুক্তরাজ্যে শুক্রবার ৬২৬ জন লোক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। দেশটির মোট মৃতের সংখ্যা এখন ৩১২৪১। সব মিলিয়ে করোনাভাইরাস দেশটির অর্থনীতি ও অন্যান্য খাতের উপর তীব্র নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

দেশটির পরিবহন সচিব গ্রান্ট শেইপস বলেছেন, তারা জনগণকে বাড়ি থেকে কাজ করার জন্য অনুপ্রাণিত করবেন এবং যাদের কাজে যাওয়া প্রয়োজন তাদেরকে হেঁটে যাওয়ার অথবা সাইকেল ব্যবহার করার কথা বলবেন।

-এ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ