সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
সংবিধান সংশোধন: বিশেষ কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত এমপি ভবনে গাজী নজরুলের সেই স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার  মাদক নির্মূলে শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে  রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সৌজন্য সাক্ষাৎ  নাজাত ইসলামী মারকাজের বহুমুখী কার্যক্রম নিয়ে সাংবাদিক-গুণীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারের দাবি খেলাফত মজলিসের কুমিল্লায় স্কুলছাত্র অপ্রতিম হত্যার দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সমালোচনার মুখে ‘নেক্সাস’ বই ফেরত নিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শরিয়াহ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের সমন্বয়ে গুরুত্বারোপ মিসরের গ্র্যান্ড মুফতির ‘এই ভূখণ্ডকে আমরা আর কবে বাসযোগ্য করে তুলতে পারব!’

লকডাউনে আটকে পড়া মনিপুরি মুসলিম শিক্ষার্থী, বাড়ি ফেরার আকুতি!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রফিকুল ইসলাম জসিম:
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট>

সারা পৃথিবীই এই মুহূর্তে করোনায় আক্রান্ত। লক্ষ লক্ষ মানুষ এই মহামারীর কবলে পরে প্রাণ হারাচ্ছে। যেভাবে চীন থেকে শুরু হওয়া এই ভাইরাস নিজের প্রকোপ দেখিয়েছে তাতে বিশ্বজুড়ে সমস্ত মানুষই আজ আতঙ্কিত। করোনার আতঙ্কের সামনে সকলকেই অসহায় আর উপায়হীন দেখাচ্ছে। এই কারণে বিশ্বজুড়ে লকডাউনের পরিস্থিতি চলছে। এই অবস্থায় সকলেই নিজের নিজের বাড়িতে বন্দী।

ভারতে ২১দিনের লকডাউনের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতে ১৯ দিন পর্যন্ত লকডাউন বাড়িতে দিয়েছেন অর্থাৎ ভারত এখন ৩ মে পর্যন্ত বাড়িতে বন্দী থাকবে। এর ফলে বেশকিছু মানুষ অন্যান্য রাজ্য থেকে যেমন নিজের রাজ্যে ফিরেছেন তেমনি কেউ কেউ আটকেও পড়েছেন ভিন রাজ্যে। ভারতীয় মণিপুরি এই দুইটি নারী সমাজিক যোগাযাগে জানিয়েছে লকডাউনের ফলে কর্ণাটক রাজ্যের গুলবার্গ শহরে আটকে পড়েছেন।

তাদের জন্মসূত্রে মণিপুর রাজ্য মনিপুরিরে বাসিন্দা। মণিপুরের মনিপুরি মুসলিম সম্প্রদায়ের দুই মেয়ে শিক্ষার্থী, বর্তমানে কর্ণাটক রাজ্যের গুলবার্গ শহরে অবস্থান করছেন। ঐ মেয়ে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, লকডাউন ঘোষণা হওয়ার কিন্তু সরকারী নিয়মের কারণে তারা নিজ রাজ্যে মণিপুরে যেতে করতে পারেননি।

লকডাউনের কারণে তারা এই ঘর থেকে বের হতে পারছে না। তারা কোন মতে খেয়ে না খেয়ে বেঁচে আছেন বলে জানিয়েছেন সামাজিক যোগাযাগ মাধ্যমে কয়েকজন শিক্ষার্থী। এই মুহূর্তে তারা মণিপুরিরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং এর নিকট আশা যে, সরকারের অনুমতি নিয়ে তারা মণিপুরে ফিরতে পারবেন।

ঐ শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, রমজানে রোজা নিয়ে থাকা-খাওয়া, টাকা পয়সা অনেক সমস্যা সম্মুখীন হচ্ছে। তারা বলেন, আমাদের রাজ্যে ফেরত যাওয়ার জন্য বিমান টিকেট করেছি, অনেক টাকা পয়সা দরকার সেখানে থাকতে। সরকার আমাদের ফিরিয়ে নেয়ার উদ্যোগ নিয়ে বিমান বা বাস ভাড়ার টাকা আমরা নিজেরাই দেব।

সরকারের কোন খরচ হবে না। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন করেছেন, আমাদের খুব শীঘ্র দেশে ফিরিয়ে নেয়া হোক। স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী আমরা ১৪ দিনের জন্য হোম অথবা প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকার জন্য প্রস্তত রয়েছি।

এই অবস্থায় মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন কেউ কেউ। ব্যাঙ্গালোর, হায়দরাবাদেও এমনই অবস্থা, পড়ালেখার জন্য গিয়ে বহু মানুষ আটকে পড়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর অফিস বা মুখ্যমন্ত্রীর এখনো কেউ তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ