সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
সংবিধান সংশোধন: বিশেষ কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত এমপি ভবনে গাজী নজরুলের সেই স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার  মাদক নির্মূলে শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে  রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সৌজন্য সাক্ষাৎ  নাজাত ইসলামী মারকাজের বহুমুখী কার্যক্রম নিয়ে সাংবাদিক-গুণীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারের দাবি খেলাফত মজলিসের কুমিল্লায় স্কুলছাত্র অপ্রতিম হত্যার দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সমালোচনার মুখে ‘নেক্সাস’ বই ফেরত নিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শরিয়াহ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের সমন্বয়ে গুরুত্বারোপ মিসরের গ্র্যান্ড মুফতির ‘এই ভূখণ্ডকে আমরা আর কবে বাসযোগ্য করে তুলতে পারব!’

করোনা শনাক্তে যেভাবে কাজ করবে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিট

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত রোগী শনাক্তের জন্য র‍্যাপিড কিট উদ্ভাবন করেছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। সেগুলো শনিবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার্স ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) প্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রোববার সরকারের ওষুধ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

দেশে উৎপাদিত ‘র‍্যাপিড ডট ব্লট’ নামের কিটগুলো কীভাবে কাজ করবে তা নিয়ে অনেকের মনেই রয়েছে কৌতূহল। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বিবিসি বাংলাকে জানান, রক্তের গ্রুপ যে পদ্ধতিতে চিহ্নিত করা হয়, এটিও একই পদ্ধতিতে কাজ করবে।

তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য র‍্যাপিড টেস্ট কিটগুলোয় সাধারণত শুধু অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। যেটা ইতোমধ্যে ভারতে করা হয়েছে। যার কারণে অনেক ভুলভ্রান্তি দেখা দেয়। তাই ভারত সরকার সেই কিট উৎপাদন স্থগিত করে দিয়েছে।

‘তবে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের তৈরি এই কিট দ্বারা পরীক্ষা করলে কোনো ভুলভ্রান্তি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ এই কিটে অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেন, দুইটাই পরীক্ষা করা হবে। এ জন্য প্রথমে সিরিঞ্জের মাধ্যমে তিন সিসি রক্ত নেয়া হবে। পরে সেখান থেকে সিরাম আর সেল আলাদা করে সেটা হতে অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করে দেখা হবে।’

তিনি আরও বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে ১৫ মিনিটের মতো সময় লাগতে পারে। এর মধ্যেই রিপোর্ট চলে আসবে। তখন বোঝা যাবে রক্তদাতা কোভিড-১৯ পজেটিভ নাকি নেগেটিভ।

কিটগুলো ব্যবহার করে ইতোমধ্যে ৯৩ শতাংশের বেশি সাফল্য পেয়েছেন দাবি করে তিনি বলেন, সংক্রমিত বাংলাদেশিদের রক্তের ওপর গবেষণা করার পরই এসব কিট তৈরি করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো ৫টি রক্তের নমুনার ওপর এই গবেষণা চালানো হয়।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ