রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬ ।। ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১৩ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কঠিন পথেও পিছপা হবো না: আমিরে মজলিস এইচএসসি পরীক্ষার প্রতিটি কক্ষে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক: শিক্ষামন্ত্রী এবার আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্প দুইদিনের সফরে ময়মনসিংহ যাচ্ছেন আল্লামা মাহমুদুল হাসান ইলমের সঙ্গে জীবনের দক্ষতা: কওমি শিক্ষার সামনে নতুন বাস্তবতা ইসলামী আন্দোলনের নতুন মহাসচিব কে এই গাজী আতাউর রহমান ইসলামী আন্দোলনের নতুন কমিটিতে ঠাঁই পেলেন যারা ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেই নিজ ভিটায় ফিরতে শুরু করেছেন লেবাননের বাসিন্দারা বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি : প্রধানমন্ত্রী দারুল উলুম দেওবন্দের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও পবিত্রতা রক্ষায় কয়েকটি প্রস্তাব

হাতিরঝিলে 'মানব কুকুর', দুঃখপ্রকাশ করলেন সেঁজুতি ও টুটুল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সম্প্রতি রাজধানীর হাতিরঝিলের একটি দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড় তুলেছে। এতে দেখা যায়, হিউম্যান ডগ সেজে হাতিরঝিলের রাস্তায় হাঁটছেন এক ব্যক্তি। আর এক নারী তাকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

জানা গেছে, ওই নারীর নাম সেঁজুতি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পেইন্টিং ও ড্রয়িংয়ের শিক্ষার্থী। তার সঙ্গে থাকা পুরুষ ব্যক্তির নাম টুটুল চৌধুরী।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও অফিস জানিয়েছে, এ ঘটনার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছেন সেঁজুতি ও টুটুল। পরবর্তীতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলেও তারা মৌখিক ও লিখিতভাবে জানিয়েছেন।

সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) DC Tejgaon - DMP ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়ে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

https://www.facebook.com/dctejgaon/posts/588266748411039

এর আগে শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, হাতিরঝিলে একজন পুরুষের গলায় দড়ি বেঁধে তাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে এক নারী।

জানা গেছে, ধারণাটি বাংলাদেশে প্রথম হলেও এটি একটি ‘পারফর্মিং আর্ট’। পশ্চিমা ধারণার এ পারফর্মিং আর্ট প্রথম দেখা যায় ১৯৬৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরে প্রকাশ্য রাস্তায়। তখন ভ্যালি এক্সপোর্ট ও পিটার উইবেল এ পারফর্মিং আর্টে অংশ নেন। এ পারফর্মিং আর্টের উদ্দেশ্য হচ্ছে- কার্টুনে যেমন বিভিন্ন প্রাণীকে মানুষের মতো কথা বলা ও আচরণগতভাবে দেখানো হয়; তেমনই এখানে মানুষকে প্রাণী চরিত্রে দেখানো হয়।

হাতিরঝিলে ‘হিউম্যান ডগ’ : সেঁজুতি ও টুটুলের দুঃখপ্রকাশ

এ বিষয়ে আর্টটির নারী চরিত্রের সেঁজুতির ভাষ্য, ‘এই ছবিতে একজন নারী একজন পুরুষকে গলায় রশি বেঁধে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। এটা আমাদের নৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বা আরও ভালো কোনো সামাজিক অবস্থার চিত্র দেখায় না। বরং সমাজ আমাদের ওপর যে সিস্টেম চাপিয়ে দিয়েছে, সেটাই ফুটে উঠেছে। আমরা যে কাজটা করেছি, এই কাজের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি এবং এই কাজটাকে সাধারণ মানুষ কীভাবে নিয়েছে সেটাই আমরা দেখতে চেয়েছি।’

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ