বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ।। ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১০ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মাওলানার সঙ্গে যা কথা বলেছি, কবরে নিয়ে যাব তবু প্রকাশ করব না’ ভেনেজুয়েলার পর এবার জাপানে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প ‘ট্রাম্পকে চাপের মুখে ফেলছেন নেতানিয়াহু’ শায়খে চরমোনাইর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় জমিয়তের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, নিহত ছাড়াতে পারে ১০ হাজার দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬ দশমিক ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ভারতে গরুর মাংস পরিবেশনের অভিযোগে সিলগালা বিয়ের হল, গ্রেপ্তার ৪ হারামাইনের এ-সপ্তাহের খতিব শায়খ সুদাইস ও আহমদ হুজাইফি

‘জয় শ্রীরাম মানুষকে গণপিটুনি দেওয়ার জন্য ব্যবহার করছে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন বলেন। ধর্মীয় স্লোগান জোর করে দেওয়ানো হচ্ছে, না হলে মারধর করার ঘটনা ঘটছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। অমর্ত্যের মতে, 'জয় শ্রীরাম' স্লোগান বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ বলেন, ‘মা দুর্গা শব্দবন্ধটি বাঙালি জীবন ও সংস্কৃতির সঙ্গে যেমন ওতপ্রোত ভাবে জড়িত, জয় শ্রীরাম কিন্তু তা নয়।

জয় শ্রীরাম স্লোগান বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে যায় না। ইদানিং দেখছি রাম নবমী বেশ জনপ্রিয় হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। আগে কখনও শুনিনি।’

তিনি আরো বলেন, জয় শ্রীরাম স্লোগান ব্যবহার করা হয়, মানুষকে গণপিটুনি দেওয়ার জন্য।’

অমর্ত্য সেন বলেছিলেন, ‘একজন সমাজবিজ্ঞানী হিসেবে আমার মনে হয়, বেকারত্ব, আর্থিক বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি থেকে নজর ঘোরাতেই রাম মন্দির, গোরক্ষা, শবরীমালা-সহ ধর্মীয় বিষয় গুলি নিয়ে মাতামাতি করা হচ্ছে।

আর্থিক বৃদ্ধির হার যদিও বেশি, কিন্তু‌ তাতে গরিবের জীবনযাত্রার মানোন্নতি হয়নি। ঠিক এই জায়গাতেই, গোরক্ষা বা মন্দিরে নজর ঘোরানো প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।’

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ