শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান খেলাফত মজলিস আমিরের ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির

ফেলে দেওয়া মাংস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে জাপান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জাপান নতুন এক প্রযুক্তি চালু করেছে, যা ফেলে দেওয়া খাদ্য-বর্জ্য বিশেষ করে মাংস রিসাইক্লিনিং করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে থাকে।

গত অগাস্টে জাপানের জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন ‘জে বায়ো ফুড রিসাইকল’ নামের একটি কোম্পানি তৈরি করে। এই কোম্পানিই মূলত ফেলে দেওয়া মাংস রিসাইকেল করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ওই প্রকল্প চালু করে।

এ প্রকল্পে জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনের সহযোগী হলো ইস্ট জাপান রেলওয়ে কোম্পানি এবং জে আর ইস্ট এনভায়রনমেন্ট অ্যাকসেস।

কোম্পানি সূত্র জানায়, ফেলে দেওয়া মাংস থেকে বিদ্যুৎ তৈরি করে তা বাজারে বিক্রিও করছে তারা।

জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনের প্রেসিডেন্ট হাজিমি ওশিতা বলেন, ‘আমরা যেসব কারখানায় মাংস প্রক্রিয়াকরণ করা হয়, সেখান থেকে ফেলে দেওয়া মাংসের টুকরো সংগ্রহ করি। সেই বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ তৈরি হয়। আমরা চাই, প্রকৃতিকে যথাযথভাবে ব্যবহার করতে।

ওই বিদ্যুৎ প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা পরিবেশকে রক্ষা করছি, সেই সঙ্গে তৈরি করছি শক্তি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওই প্রকল্পে প্রতিদিন ৮০ টন ফেলে দেওয়া খাবারের মাইক্রোবিয়াল ফারমেন্টেশনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার হয় মিথেন গ্যাস।

আমরা খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ কারখানা থেকে যে বর্জ্য সংগ্রহ করি তাকে প্রথমে জৈব ও অজৈব, দুই ভাগে ভাগ করা হয়। খাবার যে প্ল্যাস্টিকের পাত্রে থাকে ও যে কাগজে মুড়ে দেওয়া হয়, তা আলাদা হয়ে যায়।’

হাজিমি ওশিতা জানান, প্রথমে জৈব পদার্থের ময়েশ্চার অ্যাডজাস্টমেন্ট করা হয় । তার পরে পাঠানো হয় ফারমেনটেশন ট্যাঙ্কে। সেখানেই বায়োগ্যাস তৈরি হয়। এই বায়োগ্যাস যায় গ্যাস হোল্ডারে। সেখানেই তৈরি হয় বিদ্যুৎ। এর ফলে বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইড মেশার সম্ভাবনা থাকে না।

সূত্র: ইকনোমিক টাইমস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ