মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

‘তুমি শেষ কবে এভাবে আত্মমগ্ন হয়ে কুরআন নিয়ে বসেছ?'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আজ শনিবার বিকেলে বহু গ্রহন্থ প্রণেতা আলেম লেখক সাহিত্যিক মাওলানা মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ তার ফেসুবক টাইমলাইনে একটি পোস্ট করেন। ওই পোস্টে দুটি ছবি সংযু্ক্ত করা হয়েছে।যা একজন কুরআন প্রেমিকের পরিচয় বহন করে। আওয়ার ইসলামের পাঠকদের জন্য পোস্টটি তুলে ধরা হলো।

তিনি লিখেছেন,  ‘আগের হোটেল শেরাটন, এখনকার রূপসী বাংলা। তার বিপরীতে আছে ‘শাকুরা’। লাইসেন্স করা মদের দোকান। কুফরি সংবিধান-অনুমোদিত দোকান। মদের দোকানটার নিচেই আগে একটা পত্রিকা স্টল ছিল। অধুনা লুপ্ত। বিদেশী পত্রপত্রিকা পাওয়া যেত। মনে হয় মদ টানতে এসে বিদেশীরা বইপত্রও কিনতো।

যাক আলাপ সেটা নিয়ে নয়! ওই বুকশপ থেকে আগে নিয়মিত কিছু পত্রিকা কিনতাম। কেনাকাটা শেষ হলে উত্তর-পূর্ব দিকে তাকালে বেশ কিছু বড় বড় সাইনবোর্ড নজরে আসতো। একটা সাইনবোর্ড দীর্ঘদিন ধরে ছিল। তার বক্তব্যটা আমাকে ভীষণ টানতো! লেখা ছিল,
“ আপনি শেষ কবে খালি পায়ে শিশিরভেজা ঘাসের উপর হেঁটেছেন”?

বলাবাহুল্য বিজ্ঞাপনটা ছিল কোনও এক রিয়েল এস্টেট কোম্পানীর।

এই ছবিটা দেখে আমার সেই বিজ্ঞাপনী বিলবোর্ডের কথা মনে পড়ে গেল। মনের বিলবোর্ডে নিয়নসাইনে লেখা ফুটে উঠল,
“তুমি শেষ কবে এভাবে আত্মমগ্ন হয়ে কুরআন নিয়ে বসেছ?”

আসলেই তো, আমি কি এই মানুষটার মতো এমন চালচুলোহীন অবস্থায় পাক কালাম নিয়ে বসতে পারতাম? মনে হয় না! অবশ্য সবই হয় আল্লাহর তা‘আলার দেয়া তাওফীকে! তিনি তাওফীক দিলে, কী না হয়!

ইয়া রব্বাহ! শুধু কুরআন কারীম পাঠ নয়, কুরআনি পঠনকে নিজের মধ্যে ধারণ করারও তাওফীক ও হিম্মত দান করুন।’

এইচজে