রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৪ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৯ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
জাকাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব: ধর্ম উপদেষ্টা মাওলানা জুবাইর আহমদ আশরাফের ইন্তেকালে আওয়ার ইসলাম সম্পাদকের শোক নৈতিকতাহীন মানুষ দিয়ে দেশ উন্নত করা সম্ভব নয় : ডিএমপি কমিশনার ইসি আইনের বাইরে গিয়ে বড় দলগুলোকে সুবিধা দিচ্ছে: আসিফ মাহমুদ ইরানে প্রাণহানির জন্য দায়ী ট্রাম্প: খামেনি মুফতি আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা দল এখন সকাল-বিকাল বলে মন্ত্রিত্ব দেবে, আসনটি ছেড়ে দিন : রুমিন ফারহানা অবশেষে জামায়াতেই ঠাঁই হলো মুফতি আলী হাসান উসামার মাওলানা জুবাইর আশরাফের জানাজা ঢাকায়, দাফন কুমিল্লায় বাবরের আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন তার স্ত্রী শ্রাবণী

‘আফগানিস্তানের সেই অনুষ্ঠানে কোনো তালেবান নেতা ছিলেন না’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হাওলাদার জহিরুল ইসলাম: যুদ্ধ বিগ্রহে বিপর্যস্ত উত্তর আফগানিস্তানের কুন্দুজ প্রদেশে একটি মাদরাসায় হামলার পর সেখানে উপস্থিত বেঁচে যাওয়া কয়েকজন মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলেছেন।

তারা বলেন, কুন্দুজের তালেবান নিয়ন্ত্রিত দাশত-ই আরচি জেলায় ওই হামলার প্রধান টার্গেট ছিলো কয়েকজন শীর্ষ তালেবান নেতা।

ওই হামলায় দেড় শতাধিক বেসামরিক মানুষ নিহত হন। যাদের মধ্যে অধিকাংশই হাফেজে কুরআন ও আলেম ছিলেন। মূলত একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তারা। যেখানে হাফেজ শিক্ষার্থীদের সনদ (সার্টিফিকেট) প্রদান করা হচ্ছিল।

আফগান গণমাধ্যমের ভাষ্য মতে, তালেবানদের লক্ষ্য করে হামলা করা হলেও সেখানে তালেবানের কোনো সদস্য উপস্থিত ছিলেন না। তালেবান অধ্যুষিত এলাকা হওয়াতেই আফগান সামরিক বাহিনী এ ধরনের হামলা চালিয়েছে।

তাদের বক্তব্য, এত মানুষ নিহত হলেও তাদের মধ্যে তালেবান নেতা রয়েছেন বলে কেউ সনাক্ত করতে পারেনি। এতে বোঝা যায়, সেনাদের আসল উদ্দেশ্য মূলত কী ছিল।

প্রাদেশিক রাজধানী কুন্দুজের হাসপাতালের সামনে বুক চাপড়ে সন্তান হারানো এক বাবা আহাজারি করে বলছিলেন, আমি মহান শাক্তিমান আল্লাহর কাছেই বিচার দিচ্ছি।

আল্লাহ অবশ্যই হামলাকারীদের বিচার করবেন। ভাগ্নে হারানো এক মামা হাসপাতালের সামনে কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন, মনে হচ্ছে বর্তমানে অমুসলিম সরকার দেশ পরিচালনা করছে!

সূত্র: ডেইলি কুদরত

‘কুরআনে হাফেজদের রক্তে ভেসে যাচ্ছিল মেঝে’

যেভাবে আমি আফগানিস্তানে নিহত হলাম

বিধ্বস্ত কুন্দুজের হে আম্মাজান! আপনি হাসুন


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ