শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৫ পৌষ ১৪৩২ ।। ২০ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে নো কম্প্রোমাইজ: ইসলামী ছাত্র আন্দোলন  প্রতিদ্বন্দ্বী জুনায়েদ আল হাবীবকে ‘রোহিঙ্গা’ বলে ইঙ্গিত রুমিন ফারহানার ‘আসন সমঝোতা শিগগির চূড়ান্ত না হলে জনগণের প্রত্যাশা ব্যাহত হবে’  চারদিনে ইসিতে আপিল ৪৬৯টি, শেষদিন কাল সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে বার বার হামলা চালানো হচ্ছে: মির্জা ফখরুল গাজীপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়েছে ঝুটের অর্ধশতাধিক গোডাউন বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে: জুনায়েদ আল হাবীব নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কিনা জনমনে সংশয় রয়েছে: মঞ্জু যেসব গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে ডিএমপি এই সমাজের রন্দ্রে রন্দ্রে আলেম বিদ্বেষ

হাটহাজারীতে মাদরাসায় হামলা, ভাঙচুর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: হাটহাজারীতে জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ের জের ধরে একটি মাদরাসায় ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে হাটহাজারী পৌর এলাকার বাসস্টেশনের পশ্চিমে মিঠাছড়া পশ্চিম দেওয়ান নগর জমিরিয়া ইসলামীয়া মাদরাসা হেফজখানা ও এতিমখানায় এ ঘটনা ঘটে। অন্তত ২০ থেকে ২৫ জন দুর্বৃত্ত মাদরাসাটির নবনির্মিত টিনসেড নির্মিত হেফজখানাটি ভাঙচুর করে।

সংবাদ পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

সূত্রে জানা যায়, জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা চলে আসছিল। এক বছর পূর্বে জমির উদ্দিন নামে এক মাওলানা ওই মাদরাসাটি চালু করেন। বর্তমানে মাদরাসার জায়গাটি ১নং সরকারী খাস খতিয়ানভূক্ত। তবে আরএস মূলে এ জায়গাটি আনু মিয়া ও ঠাণ্ডা মিয়া গং এ জায়গাটি তাদের দাবি করে উপজেলা প্রশাসন ও থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এ নিয়ে হাটহাজারী মডেল থানায় উভয়পক্ষকে নিয়ে তিনবার বৈঠক হলেও কোন চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

শনিবার সকালে হামলার সময় দুর্বৃত্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাদরাসার টিন দিয়ে তৈরি বেড়া ও পিলার ভেঙে ফেলে। সংবাদ পেয়ে হাটহাজারী মডেল থানার এএসআই আরিফ হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এরপর হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আক্তার উননেছা শিউলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

মাদরাসা পরিচালক ও প্রতিষ্ঠাতা জমির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, মাদরাসা নিয়ে কারো সাথে আমাদের কোন বিরোধ নেই। তবে স্থানীয় কিছু লোকের সাথে মাদরাসার জায়গা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। আমরা এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।

হাটহাজারী মডেল থানার ওসি মো. বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।’


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ