মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

‘আমাদের দেখে বোরকাপরা... গান গাইতে লাগলো’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ফাতিমা যাহরাহ
শিক্ষার্থী ও লেখিকা

নানীবাড়ী যাচ্ছি। আম্মু আমি আর ছোট ভাই। সিএনজিতে পনেরো থেকে বিশ মিনিট লাগে।মোড়ের সামনে এসে সিএনজি থামালো। এতটুকু পথ হেঁটে যাবো। বড় রাস্তার অপরদিকে যেতে হবে। রাস্তা পার হওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে আছি।

সামনে দিয়ে কয়েকজন মেয়ে যাচ্ছে। সম্ভবত কোন বিয়েবাড়ি থেকে ফিরছে। সবাই খুব সাজে। জোরে জোরে হাসাহাসি করছে কোন বিষয় নিয়ে। রাস্তা পার হবো, এমন সময় থেকে গেলাম। ঐ পারে কিছু ভাইয়া দাঁড়িয়ে মেয়েগুলোকে নিয়ে জোরে জোরে বাজে কথা বললো। অবাক হয়ে দেখলাম মেয়েগুলোও কিছু না বলে ওদের সাথে হাসি তামাশা করছে! রাস্তার এ পার থেকে ওপার! দু'পাশের দোকানদাররাও হাসছে! আম্মুকে আটকে বললাম, এদিক দিয়ে যাবো না। অন্য রাস্তা খুঁজি, চলো।

- বাড়ীর সামনে এসে এদিক দিয়ে যাবো না। অন্যদিক দিয়ে যাবো! এটা আবার তোমার কেমন কথা! মেয়েগুলো যেমন ছেলেগুলোও তেমন। তোমাকে কিছু বলবে না ওরা। যদি বলেও, তোর সাহস আছে না ?

মাথা নাড়লাম। সাহস আছে বটে। কিন্তু আমাকে নিয়ে কেউ বাজে কথা বললে ...!
সামনে তাকালাম। ছোট রাস্তাটায় চার পাঁচজন ছেলে দাঁড়িয়ে আছে। পুরোটা ব্লক। একটু আগেই এরা মেয়েগুলোকে ...!

রাস্তা পার হলাম। পথ ছেড়ে দেবে কি ? দোকানের সামনে যাওয়ার আগেই ছেলেগুলো পথ ছেড়ে সরে দাঁড়ালো। একটা ভাইয়া তখনও পিছন ফিরে দাঁড়িয়ে আছে। ভাইয়াটা পর্যন্ত পৌঁছানোর আগেই আরেকটা ভাইয়া তাকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দিয়ে বললো, রাস্তা ছাড়। আপুরা যাবে। চট করে ঘুরে দেখে দেখে সরে গিয়ে বললো, 'আগে বলবি না!'

হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম। মনে মনে ধন্যবাদ জানালাম। মোড় পার হলেই বাড়ি। এমন সময় পঞ্চম শ্রেণীতে পড়া ছোট ভাই আব্দুর রহমান বললো, 'আপু, ঐ আপুরা যদি তোমার মত পর্দায় থাকতো। তাহলে তাদেরকে ভাইয়াগুলো কিছু বলতো না। তাই না ? '

হেসে ফেললাম। বললাম, 'হুম। বলতো না। কিন্তু ভাইয়া, আপনাকে এটাও মনে রাখতে হবে যে ভাইয়াগুলোরও উচিৎ ছিলো তাদের বাজে কথা না বলা। নজর নিচু রাখার হুকুম তো উভয়ের প্রতিই আছে। তাই না ? '

আমরা চাইলেই শালীন থাকতে পারি। নিজেকে হেফাজত করার জন্য পর্দার চেয়ে উত্তম কিছু নেই। চাই সে একজন ছেলে হোক অথবা মেয়ে।

ঘটনা : ২

বিকালে আমি আর ছোটবোন, ছোট ফুপুর বাসায় গেলাম তার সাথে দেখা করতে। হেঁটে গেলে দশ থেকে পনেরো মিনিট লাগে। গ্রামের পথগুলো এমনিতেও খুব চমৎকার, হাঁটতে ভালো লাগে। মাগরিবের কিছুক্ষণ আগে ফিরছি গল্প করতে করতে। একপাশে বাড়িঘর আরেকদিকে ক্ষেত। তামাক আà¦