আবদুল কাইয়ুম শেখ
লেখকের সংক্ষিপ্ত পরিচয় : বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দের ২৪ মে বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকায় ইন্তেকাল করেন!
কবির আবেদন ‘মসজিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই...’ এর পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদ প্রাঙ্গনে তাকে সমাহিত করা হয়।
কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালী কবি ও দার্শনিক। তিনি বাংলা সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব হিসাবে উল্লেখযোগ্য। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে- দুই বাংলাতেই তার কবিতা ও গান সমানভাবে সমাদৃত।
তাঁর কবিতায় বিদ্রোহী মননশীলতার কারণে তাঁতে বিদ্রোহী কবি নামে আখ্যায়িত করা হয়। তার কবিতাসমূহে উল্লিখিত হয়েছে মানুষের ওপর মানুষের অত্যাচার, সামাজিক অনাচার ও শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ।
তার সাহিত্যসাধনার সময়কাল বিশ-বাইশ বছরের চেয়ে বেশি ছিল না। কিন্তু এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই তিনি সাহিত্যের সকল শাখায় কবিতা, গান, গজল, ছোটগল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধ রচনায় অসামান্য প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন।
অগ্নিবীণা, বিষের বাঁষি, সিন্ধু হিন্দোল, দোলন চাঁপা, ফণিমনসা, ছায়ানট, সর্বহারা, মরুভাস্কর ও কাব্যে আমপারা নামের কাব্যগ্রন্থসমূহ এবং ব্যথার দান, রিক্তের বেদন, মৃত্যুক্ষুধা, বাঁধনহারা, শিউলিমালা নামীয় উপন্যাস ও গদ্যগ্রন্থগুলো তার সাহিত্যসাধনার উল্লেখযোগ্য অমর কীর্তি!
বইয়ের পরিচয়
মহাগ্রন্থ আল কুরআনের পারা (পরিচ্ছেদ) সংখ্যা ত্রিশটি। এর মধ্যে ত্রিশতম পারা ‘আম্মা’ শব্দের মাধ্যমে শুরু হয়েছে। এ জন্য এই পারাকে ‘আম-পারা’ বলে অভিহিত করা হয়।
পবিত্র কুরআনের এই পারার অনুবাদ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম কাব্যে কাব্যে করে গিয়েছেন। তার অনূদিত সেই অনুবাদই ‘কাব্য-আমপারা’ বলে পরিচিত। কবির অনূদিত এই কাব্য-আমপারা বাংলা অনুবাদ সাহিত্যের এক অমর কীর্তি!
নজরুল ইন্সস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মোঃ এরসাদ হোসেন গ্রন্থটির পরিচয় দিতে গিয়ে বলেন, “‘কাব্য আম-পারা’ গ্রন্থটি পবিত্র কোরআনের ত্রিশ সংখ্যক পারা-র অনুবাদ। এ অনুবাদ গ্রন্à¦