শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ ।। ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৩ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
গাজীপুরে আগুনে পুড়ে ছাই ১১ বসতঘর হবিগঞ্জে তিন মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২ আগামীকাল বায়তুল মোকাররমে জুমা-পূর্ব আলোচনা করবেন আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী বন্যাদুর্গতদের জন্য জুলাইয়ে ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি আদায় বন্ধের উদ্যোগ হরমুজের পর লোহিত সাগরও বন্ধের হুমকি ইরানের তফসিল ঘোষণার ৭ দিনের মধ্যে ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রেরণের নির্দেশ ইসির ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে হবে’  ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩০৬ জুলাই শহীদদের স্মরণে বায়তুল মোকাররমে বিশেষ দোয়া প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে শহীদ পরিবারের পাশে এনসিপি নেতা মাওলানা আশরাফ মাহদি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

২৮ মার্চ (শুক্রবার) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কুট্টাপাড়া, বেড়তলা, নোয়াগাঁও ও অরুয়াইল ইউনিয়নে ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনে শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে উপহার তুলে দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক, সাবেক এমপি আল্লামা মুফতী ফজলুল হক আমিনী রহ.-এর দৌহিত্র মাওলানা আশরাফ মাহদি। এ সময় তিনি শহীদ পরিবারের সদস্যদের খোঁজ খবর নেন এবং ভবিষ্যতে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

২০২১ সালে আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলন ও ২০২৪ সালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নির্মম গুলিতে শহীদগণ হলেন— আল আমিন (১৭), লিটন (৩৮), হাদিস (২৮) ও জসিম (৬০)। 

সাক্ষাৎ পর্বে শহিদ আল আমিনের বাবা শফি আলী বলেন, আল আমিন কওমি মাদরাসায় হিফজ বিভাগের ছাত্র ছিল । ধর্মীয় মূল্যবোধ আর ঈমানি চেতনায় সে আন্দোলনে যোগ দেয়। ২০২১ সালের ২৮ মার্চ শহিদ হয় সে। 

শহীদ লিটনের (৩৮) ভাই মোঃ মামুন বলেন, “আমার বড় ভাই ছিল অটোরিকশা চালক। ২০২১ সালে বাংলাদেশে নরেদ্র মোদির আগমন সাধারণ মানুষের মতো তাকেও পীড়া দেয়। সে রাজপথে নেমে আসে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পীরবাড়িতে পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হয়। এরপর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করে।”

শহীদ জসিমের (৬০) স্ত্রী শাহানা বেগম বলেন, “আমার স্বামী ঢাকায় ঝালমুড়ি বিক্রি করে সংসার চালাতেন। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে ১৯ জুলাই রামপুরায় পুলিশের গুলিতে শহিদ হন। একমাত্র ছেলে কাউসার (১৬) ঝালমুড়ি বিক্রি সংসারের হাল ধরেছে।”

শহিদ হাদিস (২৮) এর স্ত্রী হনুফা বেগম বলেন, “উনি বিশ্বরোড মোড়ে পুলিশের আক্রমণে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহিদ হন। তিনি তিতাস বাস কাউন্টারে কাজ করতেন। আমি স্বামী হত্যার বিচার চাই।”

এসময় শহীদ পরিবারের সদস্যরা ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সংগঠিত সকল হত্যাকান্ডের বিচারের দাবি করেন।
মাওলানা আশরাফ মাহদী শহিদ পরিবারদের আশ্বস্ত করে বলেন, খুনিদের বিচার নিশ্চিত না করা পর্যন্ত আমরা রাজপথে আছি এবং থাকবো। নিজেদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে শহিদ পরিবারের পাশেও থাকবো ইনশাআল্লাহ। 

 সাক্ষাৎ পর্বে আরও উপস্থিত ছিলেন, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ মীর মুগ্ধের বাবা জনাব মীর মুস্তাফিজুর রহমান, বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ড. তৌফিকুল ইসলাম মিথিল, বিশিষ্ট সমাজ কর্মী আবু বকর সিদ্দিক জাবের, জাতীয় নাগরিক পার্টির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি মুহাম্মদ রনি, তারেক জামিল ও নাসরুল্লাহ মুয়াজ প্রমুখ।

হাআমা/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ