শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ২২ মাঘ ১৪৩২ ।। ১৮ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
গুলশানে পুলিশের এডিসিকে মারধর, গ্রেপ্তার ৫ ফেব্রুয়ারির প্রথম ৪ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৬ হাজার ১৭৩ কোটি টাকা যমুনার সামনে দাবি আদায়ে ‘অনড়’ ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যরা ত্রাণ নয়, কুশিয়ারা নদী ভাঙন থেকে মুক্তি চাই: মুসলেহ উদ্দীন রাজু বন্দর অচল রাখা জাতীয় বাণিজ্যে মহাবিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে আমির হামজার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ অপসারণ করল মেটা আলেমরা সংসদে গেলে দেশ ও জাতি নিরাপদ থাকবে : মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী নারায়ণগঞ্জ-২: বিএনপি প্রার্থীকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ ইসির ১ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা চায় ইনকিলাব মঞ্চ ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে রাজনীতি থেকে সন্ত্রাস-দুর্নীতিকে বিদায় করা হবে: আমিরে মজলিস

এদেশে জাতিসংঘের আঞ্চলিক অফিস কেন, জিজ্ঞাসা আজহারীর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বাংলাদেশে জাতিসংঘের মানবাধিকার মিশন আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে। তিন বছর মেয়াদি এই মিশন চালুর জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। এ বিষয়ে ইসলামি দলগুলো প্রতিবাদ ও উদ্বেগ জানিয়ে আসছে। এবার মুখ খুললেন জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারী।

শনিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের ভেরিফায়েড পেজে তিনি একটি পোস্ট করেন।

পোস্টে তিনি লিখেন, এদেশে জাতিসংঘের আঞ্চলিক অফিস কেন? তিনি উল্লেখ করেন, যেসব দেশে তাদের আঞ্চলিক দপ্তর রয়েছে, সেসব দেশের জনগণ কি সেখানে শান্তিতে আছেন?

তিনি আরও উল্লেখ করেন, শান্তি আর মানবাধিকার রক্ষায় আমরা নিজেরা পারস্পরিক বোঝাপড়া মজবুত না করলে, তারা এখানে কি করতে পারবে?

এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের এক সংবাদ বিবৃতিতে বলা হয়, মানবাধিকার সুরক্ষা ও প্রসারের লক্ষ্যে বাংলাদেশে কাজ শুরু করতে যাচ্ছে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার কার্যালয়ের (ওএইচসিএইচআর) মিশন।

প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদারের পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের ওএইচসিএইচআর-এর মধ্যে একটি তিন বছর মেয়াদি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এই সমঝোতার আওতায় বাংলাদেশে একটি মিশন কাজ করবে, যার মূল উদ্দেশ্য হবে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোকে প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ঘটে যাওয়া গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের পরিপ্রেক্ষিতে জবাবদিহিতা ও সংস্কারের ধারাবাহিক অঙ্গীকার হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মিশনটি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধ এবং পূর্ববর্তী সরকারের অধীনে সংঘটিত অপরাধসমূহের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়েই কেন্দ্রীভূত থাকবে।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ