মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসা শিক্ষার কারিকুলাম যুগোপযোগী ও কর্মসংস্থানমুখী করার উদ্যোগ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ছেলেদের জন্যও উপবৃত্তির ভাবনা সরকারের বাইতুল মোকাররম প্রতিষ্ঠায় শামসুল হক ফরিদপুরীর অনন্য অবদান হেরা গুহার নিঃসঙ্গ ভাবনা বুলবুল হত্যা: সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে ওসির সঙ্গে ইসলামী যুব আন্দোলনের সাক্ষাৎ দুই দিনের সফরে ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি ঢাকা মেডিকেল এলাকার আশপাশ যেন গাঁজাখোর জোন: কে এম শরীয়তুল্লাহ জামেয়া দ্বীনিয়া দারুল আবরার মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা হেলাল উদ্দিন আফতাবি-র ইন্তেকাল ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আমীরে মজলিসের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ২৩২

সিলেটে শিশু ধর্ষণচেষ্টা–হত্যা মামলার রায়, একজনের মৃত্যুদণ্ড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
প্রতীকী ছবি

সিলেটে চার বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার পর হত্যার ঘটনায় করা মামলায় আসামি জাকির হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া তাঁকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সিলেট মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু ওবায়দা এ রায় ঘোষণা করেন।

গত মে মাসে ওই হত্যাকাণ্ডের ৯০ দিনের মধ্যে বিচারকাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) বদরুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলেন, মামলার প্রধান আসামি ছিলেন জাকির হোসেন। রায় ঘোষণার সময় জাকির হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাঁর দুই ভাইও মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। তবে বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রমাণ না থাকায় আদালত তাঁদেরকে খালাস দিয়েছেন। মামলায় মোট ১৭ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ সূত্রে জানা যায়, গত ৬ মে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় শিশুটি। দুই দিন পর ৮ মে ভোরে স্থানীয় একটি ডোবার পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১১ মে রাতে জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জাকির হোসেনসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করে গত ১১ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। ১ জুলাই অভিযোগ গঠনের পর বিচারকাজ শুরু হয়।

অভিযোগপত্রে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যার দায়ে জাকির হোসেনকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। এ ছাড়া লাশ গুমের চেষ্টায় সহযোগিতার জন্য জাকিরের দুই ভাইকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল।

মামলার বিবরণ সূত্রে আরও জানা যায়, ৬ মে সকালে শিশুটিকে একটি দোকান থেকে সিগারেট এনে দিতে পাঠানো হয়েছিল। সিগারেট এনে দেওয়ার পর জাকির তাঁকে নিজের ঘরে ডেকে নেন। তখন তাঁর স্ত্রী বাড়িতে ছিলেন না। ঘরের দরজা বন্ধ করে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে অজ্ঞান হয়ে যায়। পরে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যার পর স্যুটেকেসে বন্দী করে ঘরের খাটের নিচে রেখে দিয়েছিলেন জাকির। এরপর দুই দিন পর ঘরের পাশের একটি ডোবায় ফেলে রেখে দিয়েছিলেন। প্রতিবেশীদের সঙ্গে শিশুটির সন্ধানেও যোগ দিয়েছিলেন জাকির। 

এসএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ