চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার গয়েশপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী (বিএসএফ)’র গুলিতে শহিদুল ইসলাম (৩৭) নামে এক বাংলাদেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শহীদুলের পরিবারের অভিযোগ, গুলির পর তাকে ধরে নিয়ে গেছে। এমনকি শহীদুলের মৃত্যুর খবর পেয়েছেন বলেও দাবি করেছেন তার স্ত্রী নাসরিন আকতার।
আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
শহীদুলের স্ত্রী নাসরিন আকতার বলেন, আমার স্বামী মাঠে ঘাস কাটতে গিয়েছিল। সেখান থেকে তাকে ধরে নিয়ে গুলি করেছে বিএসএফ। পরে তার লাশ সীমান্তে ফেলে রেখেছে।
এদিকে এ ঘটনার পর বিএসএফের পক্ষ থেকে শহীদুলকে মাদক কারাবারি বলে দাবি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঝিনাইদহের মহেশপুর ৫৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্ট্যান্ট কর্নেল রফিকুল আলম।
বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ঘটনার পর বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিজিবি। তখন ভারতের পশ্চিম বঙ্গের নদীয়া জেলার ৩২ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের কমান্ডেন্ট সুজিত কুমার দাবি করেন; শহিদুল ইসলামসহ ৬ জনের একটি দল বিকেলে ভারতে মাদক আনতে যায়। এ সময় তারা ভারতের মাটিয়ারী ক্যাম্পের বিএসএফের সদস্যদের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। শহিদুল ইসলাম এসময় তার ব্যাগে থাকা হাঁসুয়া বের করে বিএসএফের উপর চড়াও হলে বিএসএফ এক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। বিএসএফের ছোড়া গুলিতে শহিদুল আহত হলে তাকে চিকিৎসার জন্য কৃষ্ণনগর হাসপাতালে নেওয়া হয়।
বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্ট্যান্ট কর্নেল রফিকুল আলম বলেন, শহিদুল গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে বিএসএফ জানিয়েছে। তাকে ভারতীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে- জানিয়েছে বিএসএফ। তবে তার মৃত্যুর বিষয়ে কিছু জানায়নি।
এলএইস/