বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ।। ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
কওমি মাদরাসাবিরোধী অপপ্রচারে করণীয় নির্ধারণে কাল হাইআতুল উলয়ার জরুরি সভা বন্যার্তদের পাশে মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল, দিচ্ছেন স্বাস্থ্যসেবা কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের নিন্দা, অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তির দাবি হেফাজতের মিসওয়াকের গুরুত্ব ও ফজিলত জুলাই সনদের আলোকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান কওমি মাদরাসার ভাবমূর্তি রক্ষায় শায়খ আহমাদুল্লাহর ছয় দফা সংস্কার প্রস্তাব রাতের মধ্যে দেশের ১৩ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা  মাদরাসায় শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা নিশ্চিতে বেফাকের একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা নেত্রকোনায় সমাজসেবা ভবনের লিফটে আটকা পড়া ৭ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার সরকারি হজ গাইড নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি, আবেদন করা যাবে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলা: ১১ আসামিকে শ্যোন অ্যারেস্ট

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া ১১ আসামিকে পুলিশের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে হওয়া আরেকটি মামলায় গ্রেফতার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখিয়েছে আদালত। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯ টায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাকিম মো. আবু বকর সিদ্দিক এ আদেশ দেন।

গ্রেফতার ১১ জন হলেন প্রেমনন্দন দাশ, রনব দাশ, বিধান দাশ, বিকাশ দাশ, রুমিত দাশ, সামির দাশ, শিব কুমার দাশ, ওম দাশ, অজয় দাশ রাজ কাপুর, এবং দেবী চরণ। তারা সবাই নগরের কোতোয়ালী থানার বান্ডেল রোডের সেবক কলোনির বাসিন্দা।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী বলেন, চিন্ময় দাসের জামিন না-মঞ্জুরকে কেন্দ্র করে আইনজীবী আলিফ হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ওই ১১ আসামি পুলিশের ওপর হামলার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তাদের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গত ২৫ নভেম্বর ২০২৪ ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় ব্রহ্মচারীকে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করে। পরদিন তাকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। ২৬ নভেম্বর চিন্ময়ের মুক্তির দাবিতে তার অনুসারীরা বিক্ষোভ করে। বিক্ষোভে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। এক পর্যায়ে চট্টগ্রাম আদালত ভবনের কাছে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় সাইফুল ইসলামের বাবা ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। একইদিন আলিফের ভাই ১১৬ জনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে মামলা করেন। এছাড়া সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ আরও তিনটি মামলা করে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ