বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে কী বলছেন চিন্তাশীল আলেমরা পশ্চিমবঙ্গে ‘ইনশাআল্লাহ’, ‘জাজাকাল্লাহ’ বলে বিপাকে পুলিশ কর্মকর্তা কুমিল্লা আইনজীবী সমিতিতে ইসলামী আইনজীবী পরিষদের মতবিনিময় চামড়া শিল্পে ইতালির বিনিয়োগ ও অংশীদারত্ব বাড়ানোর উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গে মধ্যরাতে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাংলাভাষী মুসলিমদের! হারামাইনের নিরাপত্তা সব রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টায় বাংলাদেশের নিন্দা ফতোয়া ও আত্মশুদ্ধির ময়দানে মুফতি সাঈদ আহমদ রহ. সৌদিতে ১৩০০ বছরের পুরনো মসজিদের সন্ধান, দেয়ালে নবীজির নাম মক্কার নিরাপত্তা ও পবিত্রতার প্রতি হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়: জমিয়ত

আমার সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেল


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

নীলফামারীর সৈয়দপুরে আগুনে ৯টি পরিবারের ১৪টি ঘর, আসবাবপত্র, নগদ টাকা, ধান-চাল, গরু-ছাগল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নের দেড়ানী সুতারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এতে আনুমানিক প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এদিকে কয়েকদিন ধরে এ অঞ্চলে শীতের প্রকোপ বেড়েছে। শীতের প্রকোপের মাঝে এমন অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ৪০ জন সদস্য চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, গ্রামের বাচ্চু মামুদের বাড়ি থেকে এই আগুন সূত্রপাত ঘটে। তবে আগুনের সঠিক উৎস জানা যায়নি। আগুনে বাচ্চু মামুদের বসতঘরসহ ৬টি, হাফিজুল হকের ২টি, শরিফুলের ২টি, মন্টু মিয়ার ২টি এবং ছোবেদ আলির ২টি ঘরসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে গেছে। খবর পেয়ে রংপুর জেলার তারাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এসে ১ ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এতে প্রায় আরও ২০-২৫ পরিবার রক্ষা পায়। পরে সৈয়দপুর উপজেলা ফায়ার সার্ভিস দলও ঘটনাস্থলে এসে ফিরে যায়।

আগুনে সর্বস্ব হারিয়ে বাচ্চু মামুদ কান্না করতে করতে ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমার সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেল। কিছুই আর রইল না। এখন বউ-বাচ্চা নিয়ে এই শীতের মধ্যে কোথায় থাকবো?

তারাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সাব অফিসার মিজানুর রহমান বেগ ঢাকা পোস্টকে বলেন, আগুনের সূত্রপাত কীভাবে তা এখন জানা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে চুলার আগুন বা বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে এই আগুন লেগেছে।

কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লানচু হাসান চৌধুরি ঢাকা পোস্টকে বলেন, আগুনের ভয়াবহতা ব্যাপক ছিল। তাই মুহূর্তে ৯টি পরিবারের ১৪টি ঘর পুড়ে গেছে। এসব পরিবার একেবারে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। আমরা প্রাথমিকভাবে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় কম্বল দেওয়াসহ শুকনা খাবারের ব্যবস্থা করেছি।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ