রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ ।। ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ দীনের আলো ছড়াচ্ছে মুফতি শহীদুল্লাহর কীর্তি ফেনীর জামিয়া রশিদিয়া উচ্চ আদালতে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের বড় জয় শায়খ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীরকে (রহ.) মরণোত্তর সম্মাননা ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘ইলমী সেমিনার’, প্রধান অতিথি দেওবন্দের মুহতামিম সোমবার চট্টগ্রামে দাওয়াহ কনফারেন্সে প্রধান অতিথি আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী আমেরিকার প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের কোনো মূল্য নেই : মুজতবা খামেনি ২৯ জুলাই ইতমিনান বোর্ডের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বড় শয়তান’ বললেন ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার রাজধানীর আরও ৫০ পয়েন্টে ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নাটোরে ভাষা সৈনিক ফজলুল হক আর নেই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নাটোর প্রতিনিধি

নাটোরের ভাষা সৈনিক ও ইউনাইটেড মেডিকেলের স্বত্বাধিকারী ফজলুল হক (৮৪) আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি দীর্ঘ দিন ধরে নানান রোগে ভুগছিলেন।

সোমবার রাত ৭টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

ভাষা সৈনিক ফজলুল হকের ছেলে ওয়াসিফ-উল-হক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ফজলুল হক ১৯৩৮ সালে নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার দমদমা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। জেলা বোর্ডের সেকশন অফিসার হিসেবে সরকারি চাকরি করেছেন তিনি। অবসরের পর ফজলুল হক নাটোর শহরে ওষুধ ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। তিনি নাটোর ইউনাইটেড মেডিকেল হলের স্বত্বাধিকারী ছিলেন। তার স্ত্রী, তিন মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৫২ সালে নবম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় মাতৃভাষা বাংলার জন্য রাজপথে নেমে আন্দোলন করেছিলেন ফজলুল হক। বৃদ্ধ বয়সে শারীরিক অসুস্থতার কারণে বাড়িতে শুয়ে-বসেই সময় কাটতো তার। নাটোর জেলায় যে কয়েকজন ভাষা সৈনিক ছিলেন, তাদের মধ্যে ফজলুল হক শুধু জীবিত ছিলেন। ভাষা আন্দোলনের ৭১ বছরেও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাননি এ গুণী ব্যক্তি। ভাষা আন্দোলনে অনন্য ভূমিকা রাখায় ২০১০ সালে অনুষ্ঠিত নাটোর সরকারি বালক বিদ্যালয় শতবর্ষ উৎসবে তাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছিল।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ