সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪ ।। ৯ আষাঢ় ১৪৩১ ।। ১৮ জিলহজ ১৪৪৫


ট্রানজিট ভিসায় ওমরাহ পালনের সুযোগ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: সৌদি আরবের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করা যাত্রীদের জন্য ফ্রি ট্রানজিট ভিসা পরিষেবা চালু করেছে সৌদি আরব। চার দিনের এই ভিসা নিয়ে ট্রানজিটে থাকা যাত্রীরা ওমরাহ পালন, মসজিদে নববি জিয়ারতসহ সৌদি বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) এই ভিসা চালুর ঘোষণা দেয় দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

আরব নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রানজিট ভিসাধারীরা ৯৬ ঘণ্টা বা চার দিন পর্যন্ত সৌদিতে অবস্থান করতে পারবেন। সাউদিয়া এয়ারলাইন্স ও ফ্লাইনাসের ইলেকট্রনিক প্লাটফর্মের মাধ্যমে এই ভিসা আবেদন করতে পারবেন টিকিটধারী যাত্রীরা। এরপর আবেদনটি স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিন্ন জাতীয় ভিসা প্লার্টফমে চলে যাবে। সঙ্গে সঙ্গে একটি ডিজিটাল ভিসা ইস্যু হবে এবং তা আবেদনকারীর ই-মেইলে চলে যাবে। এই প্রক্রিয়ার জন্য কোনো ফি দিতে হবে না। তিন মাস মেয়াদের এই ভিসা নিয়ে চার দিন সৌদিতে অবস্থান করা যাবে।

সৌদি ভিশন ২০৩০ এর লক্ষ্য অর্জনে ই-ট্রানজিট ভিসা বিশেষ ভূমিকা রাখবে এবং প্রতি বছর অন্তত ১০ কোটি লোক দেশটি ভ্রমণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তা ছাড়া এর মাধ্যমে সৌদির ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক স্থানে আগের চেয়েও বেশি দর্শনার্থীর সমাগম ঘটবে।

সৌদির পর্যটন মন্ত্রী ও পর্যটন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আহমেদ আল-খতিব বলেছেন, ‘পর্যটন খাতে উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে সৌদির প্রতিশ্রুতির আরেকটি প্রমাণ নতুন ট্রানজিট ভিসা। সৌদি আরবের মধ্য দিয়ে যাওয়া ভ্রমণকারীদের জন্য সবকিছু উন্মুক্ত থাকবে। ভ্রমণ, ব্যবসা, ওমরাহসহ যেকোনো কাজের উদ্দেশ্যে এখানে আসতে পারবে। সৌদিকে একটি বৈশ্বিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সম্মিলিতভাবে কাজ চলছে।’

সৌদি ট্যুরিজম অথরিটির সিইও ফাহদ হামিদাদ্দিন বলেছেন, ‘আজ ট্রানজিট ভিসা উদ্বোধনের ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব। এটি সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত সহযোগিতার একটি যুগান্তকারী উদাহরণ। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যকদের কাছে তা প্রধান গন্তব্যে পরিণত হবে।’

এই ভিসা সৌদি আরবকে পূর্ব-পশ্চিমের মধ্যে একটি প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলবে জানান বিমান সংস্থা সৌদিয়া ও ফ্লাইনাসের প্রধান নির্বাহীরা। সৌদিয়ার প্রধান ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম কোশি বলেছেন, ‘২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ মিলিয়ন ভ্রমণের কৌশলগত লক্ষ্য পূরণে এটি সহায়তা করবে। তা ছাড়া পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে সংযোগকারী কেন্দ্র হিসেবে সৌদির অবস্থানকে সুদৃঢ় করবে। পাশাপাশি তা ক্রমবর্ধমান ট্রানজিট যাত্রীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’

-এসআর


সম্পর্কিত খবর


সর্বশেষ সংবাদ