বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬ ।। ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ঢাকা মহানগরীতে দিনের বেলায় ২ শিফটে বর্জ্য পরিষ্কারের নির্দেশ হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের নতুন কর্মসূচি বেফাকের ১২২ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিল দ্বীনি চেতনা পরিষদ মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা: বাড়ছে তেলের দাম অবহেলায় মায়ের মৃত্যু, শাস্তির মুখে সেই যুগ্ম সচিব কিশোরগঞ্জে খেলাফত ছাত্র মজলিসে যোগ দিলেন ৩৬ শিক্ষার্থী শাহজালালে ১৫০ হাজির লাগেজ কাটার অভিযোগ, তদন্তে কর্তৃপক্ষ রুমিন ফারহানার মন্তব্যের নিন্দা জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউরোপের বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি জনজীবনে নতুন সংকট তৈরি করবে: খেলাফত মজলিস গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সর্বপ্রথম রাজপথে নেমেছি আমরা: আমিরে মজলিস

পরকালের ভয়ে কাতর একজন আবেদের কান্না

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুযযাম্মিল হক উমায়ের: হজরত সুফিয়ান রাহিমাহুল্লাহু তায়ালা বলেন, উমাইয়া নামে শাম দেশের একজন লোক ছিলো। তিনি বনি বাবে সাহম নামাক স্থানে নামাজ পড়তেন। নামাজে কান্না করতেন। চোখের অশ্রম্ন বেয়ে বেয়ে দাড়িতে গড়িয়ে পড়তো।

বর্ণনাকারী বলেন, এই অবস্থার খবর জেনে সেই দেশের আমির তাঁর কাছে চিঠি পাঠালো। চিঠিতে তিনি বললেন, আপনি তো অধিক কান্না করে মুসল্লিদের নামাজ নষ্ট করে দিচ্ছেন। আপনার কান্নার উঁচু আওয়াজে মুসল্লিদের নামাজে সমস্যা হয়। যদি আপনি সামান্য কান্না ও আওয়াজ কমিয়ে দিতেন, তাহলে ভালো হতো।

আমিরের এই কথা শুনে তিনি আবার কান্না শুরু করেন। তারপর বললেন, কেয়ামতের দিনের পেরেশানী আমাকে অধিক কান্না করতে উদ্ভুদ্ধ করেছে। আমি চোখের পানির দ্বারা মাঝেমধ্যে সেই দিনের পেরেশানীকে প্রশমিত করি।

হজরত উমাইয়া রাহিমাহুল্লাহু তায়ালা বলতেন, আল্লাহ তায়ালার আনুগত্য বান্দার চেয়ে বেশি সৌভাগ্যশীল আর কেউ হতে পারে না।

শোনে রাখো! কল্যাণ ও সফলতা একমাত্র আল্লাহ তায়ালার আনুগত্য করার মধ্যেই নিহিত।
শোনে রাখো! আল্লাহ তায়ালার আনুগত্যশীল বান্দাগণই হলেন, দুনিয়া ও পরকালের প্রকৃত বাদশা।
বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তাওয়াফ করার সময় এককোণ ধরে কান্না করতেন। কান্না করেই চলতেন। অনেক সময় কান্নার একপর্যায়ে তিনি বেহুশ হয়ে পড়তেন।

সূত্র: আর-রিক্কাতু ওয়াল বুকা

-এসআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ