সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬ ।। ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২২ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় আরবিতে ‘বিসমিল্লাহ’ লিখিত কাফনের কাপড়,  কুফরি বা জাদুটোনার আশঙ্কা ফের ইরান-ইসরায়েলের পাল্টাপাল্টি হামলা ইরাকে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ২১, আহত ১৯ বাংলাদেশসহ ৫ দেশে শক্তিশালী ভূমিকম্প হজ মৌসুমে সেবা দিয়েছেন মক্কা মিউনিসিপ্যালিটির ৯ হাজারের বেশি স্বেচ্ছাসেবক পুকুরে ডুবে মাদরাসার হিফজ বিভাগের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু ইস্তাম্বুলে তৃতীয় বৈশ্বিক ইসলামি অর্থনীতি সম্মেলন অনুষ্ঠিত ৬ নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যু ও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে শঙ্কা সন্ত্রাসের পক্ষে কাজ করা সাংবাদিকেরা আইনের ঊর্ধ্বে নয়: সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিমুখী আচরণের কারণে শান্তি আলোচনা এগোচ্ছে না: ইরান

ফিলিপাইনে ‘ভাড়াটে খু*নি’ দিয়ে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে হ*ত্যা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় বাংলাদেশি গার্মেন্টস ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেনকে (৬৩) গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ম্যানিলা বুলেটিন এক খবরে জানিয়েছে, এ ঘটনায় একজন ’ভাড়াটে খুনিকে’ গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ।

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৪০ মিনিটে অফিসে যাওয়ার পথে মেট্রো ম্যানিলা টাফট অ্যাভিনিউতে আনোয়ার হোসেনকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

আনোয়ার হোসেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন ফিলিপিন্স কর্পোরেশনের সভাপতি ছিলেন। তিনি পাসায় সিটির টাফট এলাকায় ডিএমডি বুটিকের মালিক। তার গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জের টংগিবাড়ী উপজেলার কাইচাইল গ্রামে।

নিহতের বড় ভাই নাসির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ফিলিপাইনে আনোয়ার হোসেনের সহকর্মী ও বাংলাদেশ গার্মেন্টস ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন ফিলিপাইন সূত্রে তারা এ খবর পেয়েছেন।

সিটি পুলিশের বরাতে ম্যানিলা বুলেটিন জানিয়েছে, আনোয়ারের মাথায় একটি গুলি লেগেছিল। অ্যাডভেনটিস্ট মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে বৃহস্পতিবার পাসায় সিটির ডন কার্লোস এলাকার বাসিন্দা সালিক দিতুয়ালকে আটক করে পুলিশ।

সিটি পুলিশের জানিয়েছে, আনোয়ারকে খুনের জন্য চুক্তিতে এক লাখ ফিলিপিনো পেসো নিয়েছেন স্থানীয় হকার দিতুয়াল। রাজভ নামে এক ব্যক্তি তাকে ভাড়া করেন।

রাজভের বিস্তারিত পরিচয় জানার পাশাপাশি হত্যার কারণ উদঘাটনে অনুসন্ধানের কথা জানিয়েছে পাসায় সিটি পুলিশ।

নাসির হোসেন বলেন, 'আমার ভাই সেখানে বাংলাদেশি গার্মেন্টস ব্যবসায়ীদের সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। তিনি সৎভাবে ব্যবসা পরিচালনা করায় সেখানকার অন্যান্য বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা অবৈধ কাজ করতে পারছিল না। এতে তাদের সঙ্গে ভাইয়ের দ্বন্দ্ব তৈরি হয়।'

ফিলিপাইনে বসবাসরত বাঙালিরা এ ঘটনায় জড়িত, দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, ফিলিপাইনে গার্মেন্টস ব্যবসা চালু করেন আমার ভাই। ১৯৮৮ সালে আনোয়ার জাপান ভ্রমণ করেন এবং পরে সেখান থেকে ফিলিপাইন যান। আমাদের পরিবারের সব আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশি গার্মেন্টস ব্যবসায় জড়িত।

ফিলিপাইনের পাসপোর্টধারী আনোয়ারের স্ত্রীও ফিলিপিন্সে থাকতেন। তবে এখন তিনি দেশে আছেন। সোমবার ফিলিপাইনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে। তার পরে আনোয়ারের মরদেহ দেশে আনার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন তার ভাই।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ