শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৪ রবিউস সানি ১৪৪৮


যেভাবে কাটাতে পারি আসন্ন রমজান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সাইফুল্লাহ সুবহান।।

দেখতে দেখতে পেরিয়ে গেল একটি বছর। নিকটবর্তী হল রমজান। এ মাস র‌হমত মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। পুরো মাস জুড়ে দিনের বেলা রোজা রাখাকে আল্লাহ তায়ালা ফরজ করে দিয়েছেন। যাতে আমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারি।

রোজা ফরজ হয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় হিজরতের এক বছরেরও বেশি সময় পরে। অর্থাৎ দ্বিতীয় হিজরী সনে। এরপর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নয় বছরের মতো পৃথিবীতে বেঁচে ছিলেন। মোট নয়টি রমজানে রোজা পালন করার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।

তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে রোজার মাস যাপন করেছেন বা করতে বলেছেন তাই আমাদের আদর্শ। তাই আসন্ন রমজান কিভাবে কাটাতে পারি সে ব্যাপারে জেনে নেই নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রমজানের কর্মসূচি।

১. রোজা: রোজা হলো রমজানের প্রধান আমল। রোজার পুরস্কার অসীম। আল্লাহ তায়ালা নিজ হাতে দিবেন। আবার শরয়ীত সম্মত সমস্যা ছাড়া রোজা না রাখার শাস্তিও ভয়াবহ।

২. সেহরি: রোজা রাখার উদ্দেশ্যে ভোর রাতে খাবার খাওয়ার নাম সেহরি। সেহরি খাওয়া সুন্নত।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেহরিতে এক চুমুক পানি হলেও পান করতে বলেছেন। আরো বলেন,যারা সেহরি খায় ও পান করে তাদের প্রতি আল্লাহ তায়ালা রহমত করেন এবং ফেরেশতারা তাদের জন্য উত্তম দোয়া করেন। (মুসনাদে আহমদ) তবে কখনো সেহরি না খেতে পারলে এই অজুহাতে রোজা না রাখা কিছুতেই বৈধ নয়।

৩. ইফতার করা: সূর্য ডোবার পর রোজা সমাপ্ত করার জন্য যে পানাহার তাই ইফতার। খেজুর, কিসমিস বা পানি দিয়ে ইফতার করা উত্তম। সূর্য ডোবার পর ইফতার করতে দেরি না করা উত্তম ও সওয়াবের কাজ। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন মনুষ ততদিন পর্যন্ত কল্যাণের পথে থাকবে যতদিন পর্যন্ত তারা শীঘ্র শীঘ্র ইফতার করে। ( মিশকাত : ১৯৭৯ )

৪. ইফতার করানো: রোজাদারকে ইফতার করানো খুবই উত্তম কাজ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে ব্যক্তি কোন রোজাদারকে ইফতার করায় তার গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়, জাহান্নাম থেকে তাকে মুক্তি দেয়া হয় এবং সে রোজদারের সমপরিমাণ সওয়াব পায় আর রোজাদারের সওয়াবও কম করা হয় না। (মিশকাত:১৯৬০)

৫. তারাবীহ: তারাবীহ পড়া সুন্নত। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তারাবীকে সুন্নত করে দিয়েছেন। ( ওসওয়ায়ে রাসূলে আকরাম সা: পৃ:২৬৮) তারাবীহতে কুরআনুল কারীম ধারাবাহিকভাবে তিলাওয়াত করা বা শোনাও সুন্নত।(বেহেশতী গাওহার)

৬. কুরআন তিলাওয়াত: রমজান কুরআন নাজিলের মাস। কুরআনের সম্মানেই এ মাসের সম্মান। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অà¦