শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬ ।। ২১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সিলেটের জামেয়া আশরাফিয়া ইসলাম নগর মাটিজুড়ার বার্ষিক মাহফিল ৮ নভেম্বর ইসলামী যুব আন্দোলন খুলনা মহানগরের সভাপতি আব্দুর রশিদ, সম্পাদক মুফতি মঈনুল ইসলাম রাজধানীতে বৈশাখী পরিবহনের বাসে আগুন  বৃষ্টি নিয়ে আবারও সতর্কবার্তা আবহাওয়া অধিদপ্তরের গণভোট নিয়ে জনগণের সঙ্গে গাদ্দারি করেছে সরকার: আমিরে মজলিস জুহাইমানের দখলে কাবা, দুই সপ্তাহ বন্ধ ছিল জুমার খুতবা দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামায় প্রিমিয়ার লিগের উদ্বোধন বাবুনগর মাদরাসার মাহফিলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবি শ্রমিক মজলিসের জামিয়া কাসিমুল উলূমের ৮৫তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল ৭ নভেম্বর  

জানাজা থেকে ফেরার পথে বাবা-ছেলেকে পিটিয়ে আগুন জ্বালিয়ে দিতে বলল দাঙ্গাবাজরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হামযাহ আল মাহদী।। মুহাম্মদ ইব্রাহিম নামের এক মুসলিম যুবক ও তার বাবাকে দাঙ্গাবাজ-সন্ত্রাসীরা নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে। তাদেরকে ভারতের জিটিবি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মিল্লাত টাইমস জানায়, আহত মুসলিম বলেন, আমি এক আত্মীয়ের জানাজায় যোগ দিতে বেরলি থেকে ফিরছিলাম। আমার সাথে আমার বাবা ছিলেন। আমি মোস্তফাবাদের কাছে আসতেই দাঙ্গাবাজরা আমাকে ঘিরে ফেলে। আমি পালানোর চেষ্টা করলাম কিন্তু কোন উপায় ছিল না। তাদের হাতে ছিল তলোয়ার। ছিল লাঠিসোটা, রড। একসাথে বেশ কিছু আওয়াজ ভেসে এলো। মারো মারো!

তাকে মার বলে তারা আমাকে আমার বাবাকে মারতে থাকে। তাদের মেরে আগুন জ্বালিয়ে দে। তখনই আমার উপর পনেরো বিশের মত লাঠি ও রড বর্ষণ করা হয়। ওরা আমাকে অনেকক্ষণ মারতে থাকে। আমার মাথা ফেটে যায়. সারা শরীরে রক্তক্ষরণ শুরু হয়।

তারপর তারা আমাকে ধরে রাস্তার পাশে টেনে নিয়ে গেল যেখানে একটি নোংরা ড্রেনে ফেলে দেয়। কেউ বলছিলো তার গায়ে এসিড ঢেলে দাও। কেউ বলেছে আগুন লাগিয়ে তাকে পুরিয়ে দাও। একজন আমাকে জিজ্ঞেস করল তোমার বাড়ি কোথায়? আমি বললাম বেরলি।
তারপর বলল, ছেড়ে দাও, এটা আমার গ্রামের। এই দু:খজনক গল্পটি মুহাম্মদ ইবরাহীমের। তার অপরাদ সে মুসলমান। এভাবেই নির্যাতন করা হচ্ছে মুসলিমদের। সূত্র: মিল্লাত টাইমস

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ