বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
যুদ্ধবিরতির কিছুক্ষণ পরই দক্ষিণ লেবাননে ফের হামলা ইসরায়েলের যুদ্ধে ব্যর্থ হয়ে শত্রুরা অভ্যন্তরীণ বিভেদ সৃষ্টি করতে চাইছে: মোজতবা খামেনি ঈদে সারাদেশের পশু কোরবানির সংখ্যা জানালেন প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কোরবানির পর অবিক্রিত প্রায় ৩০ লাখ পশু সীমান্তে বিএসএফের অবৈধভাবে ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিল বিজিবি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেই খুলে দেওয়া হবে হরমুজ: ট্রাম্প রামিসা ধর্ষণ-হত্যাকাণ্ডের মামলার রায় রোববার তীব্র গরমের কারণ জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভা পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করল জাতীয়তাবাদী যুবদল

ছয় প্রকার নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়: শায়েখ আবদুল হক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ১. আন্নানা ২. মান্নানা ৩. হান্নানা ৪. হাদ্দাকা ৫. বাররাকা ৬. শাদ্দাকা। ১. “আন্নানা” হলো সেই নারী যে সবসময় ‘হায় আফসোস’ ‘হায় আফসোস’ করতে থাকে। এবং অলস, ‘রোগিণী’র ভান করে বসে থাকে। এমন নারীকে বিয়ে করলে সংসারে বরকত হয় না।

২. “মান্নানা” হলো সেই নারী যে স্বামীকে প্রায়ই বলে-‘আমি তোমার জন্যে এই করেছি, সেই করেছি।’ হেন করেছি, তেন করেছি, ইত্যাদি ইত্যাদি।

৩. “হান্নানা” হলো সেই নারী যে তার পূর্বের স্বামী বা প্রেমিকের প্রতি আসক্ত থাকে। ৪. “হাদ্দাকা” হলো সেই নারী, যে কোনো কিছুর উপর থেকেই লোভ সামলাতে পারে না। সব কিছুই পেতে চায়, এবং স্বামীকে তা ক্রয়ের জন্যে নিয়মিত চাপে রাখে।

৫. “বাররাকা” হলো সেই নারী যে সারাদিন কেবল সাজসজ্জা ও প্রসাধনী নিয়ে মেতে থাকে। এই শব্দের অন্য একটি অর্থ হলো, যে নারী খেতে বসে রাগ করে চলে যায়। এবং পরে একা একা খায়।

৬. “শাদ্দাকা” হলো সেই নারী যে সবসময় বকবক করে। বিয়ের ক্ষেত্রে সর্বদা দ্বীনদারীকে প্রাধান্য দিন।তবে দ্বীনদারীকে বিয়ে করতে চাইলে নিজেকেও সত্যের পথে থাকতে হবে। হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে দ্বীনদার স্ত্রী ও নেক সন্তান দান করুন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ