শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা দেখতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে সড়ক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩ রুপসায় ইসলামী আন্দোলনের তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম ‘বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করা ধর্মীয় ও সাংবিধানিক স্বাধীনতার পরিপন্থী’ মানুষ গড়ার প্রথম প্রতিষ্ঠান মসজিদ: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি সড়কে প্রাণ হারানো কুরআন শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন নোয়াখালীতে ইসলামি মহাসমাবেশ কাল, অতিথির তালিকায় রয়েছেন যাঁরা মেলায় আল-ওয়াসির আকর্ষণীয় অফার, প্রি-রেজিস্ট্রেশনেই মিলছে বিশেষ গিফট বক্স ‘জুলাইয়ের রক্তের সঙ্গে গাদ্দারি সরকারের জন্য শুভকর হবে না’

সোলাইমানি হত্যার দ্বিতীয় বার্ষিকীতে মার্কিন সেনা বিষয়ে যা বললেন মেয়ে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের কুদস ফোর্সের সাবেক কমান্ডার লে. জেনারেল কাসেম সোলাইমানির মেয়ে জয়নাব সোলাইমানি বলেছেন, ইরাক থেকে সকল মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হলে তার বাবাকে হারানোর বেদনা আনন্দে রূপান্তরিত হবে।

শোকানুষ্ঠানে জয়নাব আরো বলেন, জেনারেল সোলাইমানি ও  আল-মুহান্দিসের রক্তের প্রতিশোধ নেয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

জেনারেল সোলাইমানির মৃত্যুর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে রোববার ইরাকের রাজধানী বাগদাদে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে এ মন্তব্য করেন জয়নাব সোলাইমানি।

২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি ভোরের দিকে জেনারেল সোলাইমানি বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন উগ্রবাদী সেনাদের হামলায় মৃত্যূ বরণ করেন। তিনি ছাড়াও তাকে স্বাগত জানাতে আসা ইরাকের জনপ্রিয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হাশদ আশ শাবির সেকেন্ড ইন কমান্ড আবু মাহদি আল মোহান্দেসও একই হামলায় মারা যান।

রোববার বাগদাদের শোকানুষ্ঠানে জয়নাব আরো বলেন, জেনারেল সোলাইমানি ও  আল-মুহান্দিসের রক্তের প্রতিশোধ নেয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

তিনি বলেন, জেনারেল সোলাইমানি অন্তরের অন্তস্তল থেকে ইরাককে ভালোবাসতেন এবং একটি শক্তিশালী ইরাক প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন।

অনুষ্ঠানে আবু মাহদি আল-মুহান্দিসের মেয়ে মিনারা জামাল আল-মুহান্দিস আমেরিকা ও সৌদি সরকারের কাছ থেকে পিতৃহত্যার প্রতিশোধ গ্রহণের আহ্বান জানান। বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে জেনারেল সোলাইমানিকে হত্যার স্থানে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে লাখ লাখ ইরাকি নাগরিক অংশগ্রহণ করেন এবং সেখানে ইরান ও ইরাকের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ