শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৮ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ভালো নির্বাচন না হলে ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে: দুদু নারায়ণগঞ্জের ৫ আসনে হাতপাখা প্রতীকে লড়ছেন যারা চান্দিনায় খেলাফত মজলিসের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মতবিনিময় সভা ‘ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগ দেওয়ার সংবাদ হীন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ ফেনী জামিয়া ইসলামিয়ায় ৫ দিনব্যাপী বাংলা ভাষা ও সাহিত্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা বেফাকের ৪৯তম পরীক্ষা শুরু, মোট শিক্ষার্থী তিন লাখ ৭৩ হাজার ‘বেওয়ারিশ লাশের সংখ্যা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরছে’ অপসাংবাদিকতার শিকার হয়েছি: আমিরে মজলিস পাকিস্তানে জানাজায় অংশ নিতে যাওয়ার পথে ট্রাক উল্টে নিহত ১৪ পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন নিয়ে যা বললেন ইসি

করোনা চিকিৎসায় মুখে খাওয়ার প্রথম কার্যকরি পিল নিয়ে এসেছে মার্কিন ওষুধ কোম্পানী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: করোনাভাইরাসের প্রথম কার্যকর অ্যান্টিভাইরাল পিল নিয়ে এসেছে মার্কিন ওষুধ কোম্পানি মার্ক। কোম্পানিটি বলছে, তাদের তৈরি ওষুধ মলনুপিরাভির ভয়াবহ ঝুঁকিতে থাকা কভিড রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার বা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার হার ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনতে সক্ষম।

গতকাল শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মার্ক জানিয়েছে, সহযোগী রিজেবাকের সঙ্গে মিলে তারা যুক্তরাষ্ট্রে এ ওষুধের জরুরি ব্যবহারের অনুমতি চাইবে। পাশাপাশি অন্যান্য দেশের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছেও মলনুপিরাভিরের জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন চাওয়া হবে। পরীক্ষামূলক প্রয়োগে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ের আগেই এ ওষুধের তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালের ইতি টেনেছে মার্ক।

কোম্পানিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রবার্ট ডেভিস বলেন, কভিডের চিকিৎসা নিয়ে সব আলোচনাই এ ওষুধ বদলে দেবে।

মলনুপিরাভির তৈরি করা হয়েছে এমনভাবে, যা ভাইরাসের জেনেটিক কোডে পরিবর্তন আনবে। জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেলে মলনুপিরাভির হবে কভিড চিকিৎসার প্রথম অনুমোদিত মুখে খাওয়ার অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ।

স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ড. রবার্ট শেফার বলেছেন, এ পিলটি সারাবিশ্বের হাজার হাজার মানুষের জীবন বাঁচাবে বলে আশা করা যায়।

একজন কভিড রোগীকে দৈনিক দুইবার ৪টি করে ৫ দিন এ ক্যাপসুল খেতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইতোমধ্যে মার্কের ১৭ লাখ পিল কিনে নিয়েছে। একজন রোগীর জন্য এতে খরচ হবে ৭০০ ডলার।

প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানি রোশ ও ফাইজারও কভিডের মুখে খাওয়ার ওষুধ তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত তারা কেবল অ্যান্টিবডি ককটেল তৈরি করতে পেরেছে, যা নিতে হয় শিরায় ইনজেকশনের মাধ্যমে। সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস ও রয়টার্স

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ