আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও নৌপথ এখন আগের চেয়ে অনেক নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের উদ্যোগে বিশ্ব নৌ দিবস ২০২১ উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনার এবং সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার নদী দখলমুক্ত এবং নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিশেষ করে নৌযান মালিক, শ্রমিক, নাবিক, নৌ পুলিশ বা কোস্টগার্ড কর্মকর্তাদের পদক্ষেপে নৌযান দুর্ঘটনা অনেকখানি কমে এসেছে।
বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ (স্বার্থরক্ষা) আইনের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার কারো প্রতিপক্ষ হিসেবে নয়; সকলকে নিয়েই এই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চায়। আমরা যেভাবে সম্মিলিতভাবে মুক্তিযুদ্ধ করে পাক হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করেছি। সেই চেতনা আমরা ধারণ করি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শ হচ্ছে সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। অংশীজনদের সঙ্গে কথা বলে বিধিমালা অনুযায়ী সমস্যার সমাধান করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা পৃথিবীর কোন দেশের বাণিজ্য যুদ্ধ বা অন্য কোন দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে সুযোগসন্ধানী ভূমিকায় থাকতে চাইনা। আমরা নিজস্ব দক্ষতায় কাজ করে যাচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে আলোর পথে নিয়ে আসছেন মন্তব্য করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পঁচাত্তরে সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দীর্ঘদিন এই বাংলাদেশ অন্ধকার থেকে অন্ধকারে তলিয়ে গেছে। অন্ধকারে তলিয়ে যাওয়া বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশকে আলোর পথে নিয়ে এসেছেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা। এই ১২ বছরে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে চলছে। আমরা দরিদ্র থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছি। অর্থনীতির সকল সূচকে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের বিস্ময়।’
তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তিনি শুধু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীই নন; বিশ্ব সভায় একজন দক্ষ নেতৃত্ব হিসেবে সুনাম অর্জন করে অহংকারের জায়গায় চলে গেছেন। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রধানমন্ত্রীর এ অবস্থানের কারণে আমরা গর্ববোধ করি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত করে বলতে পারি, পঁচাত্তরের পর বাংলাদেশকে যারা অন্ধকারে তলিয়ে দিয়েছিল, বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্র করেছিল। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে তাদের মোকাবেলা করে বাংলাদেশকে সোনার বাংà