রবিবার, ০২ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৯ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর ওপর ন্যস্ত: মির্জা ফখরুল গতানুগতিক শিক্ষার ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী ‘বছরের শেষের দিকে আমরা তিস্তা মহাপরিকল্পনার আলো দেখতে পাবো’  ক্ষুধা-তৃষ্ণায় বিপন্ন গাজার লাখো মানুষ নিখোঁজের দুই দিন পর ব্রহ্মপুত্র থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার কওমীপিডিয়ার তালিকায় দেশের শীর্ষ ৫ প্রভাবশালী আলেম আওয়ার ইসলামে শুরু হচ্ছে নিয়মিত আয়োজন ‘পেপসা নিবেদিত তারুণ্যের ভাবনা’ কলমাকান্দায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শূরা অধিবেশনে ৯ দফা প্রস্তাব গৃহীত জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

‘করোনা চলে গেছে মনে করে উদাসীন হওয়া যাবে না’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: করোনার প্রকোপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। দৈনিক মৃত্যু এখন চল্লিশের নিচে। শনাক্তের সংখ্যা দুই হাজারের কম এবং হারও ছয়ের কোটায়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সবই স্বাভাবিকভাবে চলছে। এই অবস্থায় করোনা চলে গেছে মনে করে উদাসীন হওয়া যাবে না বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

তারা জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যবিধি না মানলে করোনা সংক্রমণ আবারও বাড়তে পারে। ডেল্টা ভেরিয়েন্টের তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

শুক্রবার এক ভার্চুয়াল সংলাপে ম্যাগসাইসাই পুরস্কারজয়ী বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ফেরদৌসী কাদরী বলেন, ‘বাংলাদেশে বর্তমানে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ হার নিম্নমুখী হলেও খুব বেশি আশান্বিত হওয়ার কিছু নেই। গত কিছু দিন ধরে করোনার প্রকোপ কমে এলেও আবার যে তা বাড়বে না, সেই নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়। অনেক দেশেই সংক্রমণ এভাবে কমে আবার বেড়ে যাওয়ার নজির রয়েছে। এর মতো অতি সংক্রামক ভাইরাস যে আর আসবে না, সেটা নিশ্চিত করে বলা যায় না।’

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেনিন চৌধুরী বলেন, ‘ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ হয়েছে। তৃতীয় ঢেউয়ের প্রকোপ বেশি হয়। বাংলাদেশে অক্টোবরের শেষে বা নভেম্বরের শুরুতে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই ঢেউয়ের আগে যদি আমরা এভাবে স্বাস্থ্যবিধির প্রতি উদাসীন হই, তাহলে পরিস্থিতি খারাপ হবে।’

তিনি বলেন, ‘সরকার ৮০ ভাগ নাগরিককে করোনার টিকা দেওয়ার কথা বলছে। কিন্তু এখনো তার রোডম্যাপ পরিষ্কার নয়। দ্রুত সবাইকে টিকা দিতে হবে।’

করোনার মতো মহামারি দুই থেকে ছয় বছর তার শক্তি বজায় রাখে, এরপর এর শক্তি কমে আসে বলে জানান আইইডিসিআরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর। আর এই করোনা ভাইরাস বারবার তার রূপ পরিবর্তন করছে, ফলে এটা থেকে কবে বিশ্ব মুক্তি পাবে তা নিশ্চিত করে বলার সময় আসেনি বলেও মনে করেন তিনি৷ তিনি বলেন, বারবার রূপ পরির্তনের কারণেই একটার পর একটা ওয়েভ আসছে।

ডা. এ এস এম আলমগীর বলেন, ‘তবে করোনা মহামারির মধ্যেও যেটা স্বস্তিদায়ক, তা হলো, এক বছরের মধ্যে এর টিকা আবিষ্কার হয়েছে। বাংলাদেশে আড়াই কোটি মানুষ প্রথম ডোজ পেয়েছে।’

তার মতে, সংক্রমণ কমলেও এখানো শতকরা পাঁচ ভাগের নিচে নামেনি। পাঁচ ভাগের নিচে নামলে সহনীয় বলা যায়। তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা তো আছেই। তাই স্বাস্থ্যবিধি সবাইকে মানতে হবে। ছাত্র, শিক্ষক ও কর্মচারীদের ভ্যাকসিন দিয়েই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার নিয়ম বলে জানান তিনি।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ