সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৭ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
পাকিস্তানে হজ প্যাকেজ ঘোষণা, সর্বনিম্ন ১২ লাখ রুপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে পরাজয় জেনেও প্রার্থী দেওয়া বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা: মাওলানা ইউসুফী ৯ মাসের বেতন বকেয়া, চালডালের প্রধান কার্যালয়ে কর্মীদের অবস্থান জুলাই জাদুঘর থেকে নেতাকর্মীদের ভাস্কর্য অপসারণের কড়া হুঁশিয়ারি হেফাজতের বিভিন্ন দলের দায়িত্বশীলসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বিকেএমে যোগদান ফের বিক্ষোভে উত্তাল ভারত, শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ ও জলকামান প্রবাসীদের জন্য চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’, জনতা ব্যাংকের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের চুক্তি উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি হালাল খাবার ও ধর্মীয় অনুশাসনসম্মত পরিবেশে গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তাকে ওএসডি

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ কাটা নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ ১৯ সেপ্টেম্বর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ কাটা বন্ধে করা রিট আবেদনের ওপর হাইকোর্টে শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আদেশ দেওয়ার জন্য ১৯ সেপ্টেম্বর দিন ঠিক করেছেন আদালত।

সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে এদিন রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মূল নকশার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ স্থাপনা উচ্ছেদ, উদ্যান সংরক্ষণ এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে মূলরূপে রাখার নির্দেশনা চেয়ে এর আগে ৯ মে হাইকোর্টে রিট করে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা), অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফরমস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এএলআরডি), নিজেরা করি, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট), বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), আইন ও শালিস কেন্দ্র (আসক) এবং স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন।

শুনানিতে অ্যাডভোকেট সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান বলেন, সরকার হাইকোর্টের আগের রায় ও নির্দেশনা এবং সরকারের মাস্টারপ্ল্যান বহির্ভূতভাবে বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ করছে। এজন্য সেখান থেকে অসংখ্য গাছ কাটা হচ্ছে। যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।

রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ বলেন, এটা সরকারের একটি মেগা প্রকল্প। পরিবেশ রক্ষা করেই এটা বাস্তবায়ন করছে সরকার।

তিনি বলেন, এখানে হাজার হাজার লোকের সমাগম হবে। এসব মানুষের জন্য টয়লেটসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের প্রয়োজন আছে। তবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কোনো অবকাঠামো করা হচ্ছে না।

রাষ্ট্রের অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শুনানিতে আরও বলেন, সেখানে কীভাবে কতটি গাছ লাগাতে হবে সে বিষয়ে সরকার ৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছিল। এই কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই সব হচ্ছে।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করছে সরকার। এখানে অনিয়ম বা পরিবেশ ধ্বংস করে কিছু করা হচ্ছে না।

এদিকে রিট আবেদনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ কেটে প্রকল্প নির্মাণ কেন অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, মূল নকশার বাইরে বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, এরই মধ্যে যেসব স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে তা কেন অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং ঢাকা মহানগরের মাস্টারপ্ল্যান যেভাবে রয়েছে সেভাবে উদ্যান সংরক্ষণ করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারির আরজি জানানো হয়।

একইসঙ্গে বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণের জন্য গাছ কাটা বন্ধ রাখার নির্দেশনা চাওয়া হয়। পাশাপাশি যেসব গাছ কাটা হয়েছে তার পরিবর্তে ৩ গুণ গাছ লাগানোর নির্দেশনা চাওয়া হয়।

রিটে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সচিব, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রধান বন সংরক্ষক, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীকে বিবাদী করা হয়।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ