মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
এবার দারুল উলুম দেওবন্দ নিয়ে উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীর ষড়যন্ত্র! কেয়ামত পর্যন্তও বাংলাদেশে ঘুষ-দুর্নীতি বন্ধ হবে না: শায়খে চরমোনাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ও সিইসির বৈঠক আজ জমিয়ত সিলেট মহানগরের মাসিক বৈঠক অনুষ্ঠিত আগস্টের ৯ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১১৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ১৩২, জরুরি অবস্থা জারি বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা, কোথাও ভারী বর্ষণের আভাস এক বসায় পুরো কুরআন মুখস্থ শুনিয়ে রেকর্ড গড়লেন মিসরের ফার্মাসিস্ট শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার দাবি জানাল বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে’

দাম্পত্য জীবনে কলহ এড়াতে নারীদের ৮ করণীয়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: সবার বেড়ে ওঠা একরকম হয় না। এক একজনের অভ্যাস, খাওয়া দাওয়া হয় একেকরকম। কেউ দুপুর দেড়টার মধ্যে দুপুরের খাবার সেরে ফেলেন। কারও আবার সেদিকে খেয়াল থাকে না। কারও রাগ জাগার অভ্যাস, কারও আবার ভোরে ওঠার অভ্যাস আছে। বিয়ের পর তাই শ্বশুরবাড়িতে মানিয়ে নিতে প্রথমদিকে অনেক মেয়েরই সমস্যা হয়।

সম্পর্ক রক্ষার সহজ সূত্র হল সমঝোতা। কিন্তু শ্বশুরবাড়ির ক্ষেত্রে সবসময় এই সূত্র নাও মিলতে পারে। সেক্ষেত্রে একটু বুঝে আর বুদ্ধি খাটিয়ে চলতে পারলে দুপক্ষই ভালো থাকতে পারবেন। এ ব্যাপারে কিছু পরামর্শ মেনে চলতে পারেন। যেমন-

১. বিয়ের পর স্বামী আপনার জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কেউ হবেন এটাই স্বাভাবিক। তবে আপনার প্রতি তার সমর্থন কতটা রয়েছে সেটা ভালো করে বুঝে নিন।

২. প্রথম থেকে ছোটখাটো সমস্যায় স্বামীকে জড়াবেন না। যার সঙ্গে আপনার সমস্যা তার সঙ্গে নিজেই কথা বলে মিটিয়ে নিন। আপনি কী চাইছেন সেটাও কিন্তু নিজেকেই ঠিক করে নিতে হবে।

৩. সমস্যা হলে সরাসরি কথা বলুন। কোনও মাধ্যম রাখবেন না। এতে সম্পর্ক অযথা জটিল হবে না।

৪. স্বামীর সঙ্গে সমস্যা হলেও তা নিজেদের মধ্যে রাখুন। বাইরের কাউকে তার মধ্যে জড়াবেন না। কিংবা আপনার যে কোনও রকম সমস্যা হয়েছে তাও বলবেন না। এতে দুজনেরই সম্মান বজায় থাকবে। প্রয়োজনে একে অপরকে পাশেও পাবেন।

৫. অযথা মাথা গরম করবেন না। বরং মাথা ঠান্ডা রেখে সব কিছু বিচার বিবেচনা করুন। মাথা ঠান্ডা থাকলে বুদ্ধি দিয়ে অনেক সমস্যাই মেটাতে পারবেন।

৬. কেউ কড়া কথা বললে রেগে বা চুপ করে না থেকে জবাব দিন। কিন্তু সেটা শান্তভাবে। কঠিন বা শক্ত কথা বলবেন না।

৭. প্রথম থেকেই ধরে নেবেন না যে শাশুড়ি খারাপ। বরং তার সঙ্গে সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন, তিনিও কিন্তু আপনার সঙ্গে মানিয়ে নিতে যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন। বিবাহবার্ষিকী, জন্মদিনে ছোট খাটো উপহার দিন, একসঙ্গে কোথাও ডিনারে যান, মাঝেমধ্যে ঘুরতে যান। এতে দেখবেন একটা সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছে।

৮. সবার সঙ্গেই সম্পর্ক শ্রদ্ধার চোখে দেখুন। তিনি যেই হোক না কেন। কারোর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করবেন না। কারণ এদের সবার সঙ্গে আপনার মোটেই সবদিন দেখা হবে না। তবে কারোর জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী বা কোনও অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা জানাতে ভুলবেন না। প্রয়োজনে আপনি নিজেই ছোট করে অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারেন।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ