রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৪ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৯ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
বিএনপি জোটে যাচ্ছে ইসলামী আন্দোলন! যা বললেন জাহেদ-উর রহমান ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের জন্য দুঃসংবাদ নির্বাচনের আগে পাঞ্জাবি-টুপি পরে ইরি ক্ষেতে নামার ভণ্ডামি মানুষ বুঝে : হাসনাত আবদুল্লাহ  জামায়াত আমিরের সঙ্গে সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের বেঠক গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ দুই নেতাকে পাশে চান ট্রাম্প নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যার পর মিষ্টি বিতরণ মালদ্বীপ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: আসছে ই-ভিসা ও অ্যাপ আল-আজহারে ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালিত হলো পবিত্র ইসরাআ ও মেরাজ নোয়াখালীতে পিকআপ–অটোরিকশা সংঘর্ষে শিশু নিহত, আহত ৩ ভিডিও গেম বিক্রির টাকা কি হালাল!

সিরিয়ায় বন্দীশিবির থেকে নারী-শিশুদের ফিরিয়ে নিল বেলজিয়াম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসলামিক স্টেটের পতনের পর সিরিয়ায় বন্দীশিবিরে যেসব জিহাদিদের আটক করে রাখা হয়েছিল- সেখান থেকে ছয়জন নারী ও তাদের ১০ শিশু সন্তানকে বিমানে করে বেলজিয়ামে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে। ২০১৯ সালে আইএসের পতনের পর এবারই সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় তাদের সন্দেহভাজন সদস্যদের দেশে ফিরিয়ে নেয়া হলো।

খবরে জানা গেছে, তিনজন মা ও তাদের সাত ছেলেমেয়ে বেলজিয়ামে ফিরে যাওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে।

আইএসে যোগ দেয়ার জন্য ইউরোপ থেকে সিরিয়ায় যাওয়া শত শত লোক এখন উত্তর সিরিয়ায় বন্দীশিবিরে অবস্থান করছে। এদের মধ্যে নারী ও শিশুও আছে। এ বন্দীশিবিরগুলো পরিচালনা করছে কুর্দি মিলিশিয়া বাহিনী। বহু ইউরোপিয়ান দেশই এ শিবিরের বাসিন্দাদের দেশে ফিরতে দেয়নি। তবে বেলজিয়াম বলেছে, তারা অল্পবয়সী ছেলেমেয়েদের ফিরিয়ে আনতে চায়।

মনে করা হচ্ছে, উত্তর সিরিয়ার রোজ এলাকায় অবস্থিত শিবিরটি থেকে বেলজিয়ামে ফিরে যাওয়ার পর ওই নারীদের গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসদমন আইনে অভিযোগ আনা হবে। আর তাদের শিশুদের নেয়া হবে পরিচর্যা কেন্দ্রে।

বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী আলেক্সাণ্ডার ডি ক্রু মার্চ মাসে বলেছিলেন, এসব ক্যাম্পে ১২ বছরের কমবয়সী যারা আছে- তাদের তারা ফিরিয়ে নিতে চান।

সিরিয়ায় ২০১১ সালে যুদ্ধ শুরুর পর চর শ’রও বেশি বেলজিয়ান আইএসে যোগ দিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে যান। ইউরোপের কোনো দেশ থেকে আইএসে যোগ দিতে যাওয়া লোকের এটাই সর্বোচ্চ সংখ্যা।

ইসলামিক স্টেট এক সময় ইরাক ও সিরিয়ার মোট ৩৪ হাজার বর্গমাইল জায়গা নিয়ন্ত্রণ করতো। তবে ২০১৯ সালের মার্চ মাসে তারা পরাজিত হওয়ার পর বাস্ত্যুচ্যুৎ হাজার হাজার লোকের সাথে নারী ও শিশুদেরও বিভিন্ন শিবিরে পাঠানো হয়।

কিছু ইউরোপিয়ান দেশ তাদের আইএসে যোগদানকারী নাগরিকদের নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করে। তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে নিতে অনিচ্ছুক সরকারগুলো।

এর অন্যতম দৃষ্টান্ত ২০১৫ সালে লন্ডন থেকে পালিয়ে আইএসে যোগদানকারী ব্রিটিশ তরুণী শামীমা বেগম। যুক্তরাজ্যের সরকার যার নাগরিকত্ব বাতিল করেছে। তবে মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো বিভিন্ন দেশের সরকারের প্রতি এদের ফিরিয়ে নিতে আবেদন জানিয়ে বলেছে, ক্যাম্পে থাকলে তাদের রোগাক্রান্ত বা উগ্রপন্থায় দীক্ষিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ