সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬ ।। ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১৩ রমজান ১৪৪৭


মারা গেলেন প্রবীণ সাংবাদিক শাহাবুদ্দিন আহমেদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক শাহাবুদ্দিন আহমেদ ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

খুলনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বার্ধক্যজনিত কারণে অসুস্থ হয়ে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টায় সেখানেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ঢাকার ঢাকার বসুন্ধরা আবা‌সি‌ক এলাকার বড় জামে মসজিদে জোহরবাদ জানাজা শে‌ষে মরহুমকে দাফন করা হ‌বে।

শাহাবু‌দ্দিন আহমেদ ১৯৩৯ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকার মানিকগঞ্জে তার পৈত্রিক ভিটে। বাবার চাকরির সুবাধে খুলনাসহ বিভিন্ন স্থানে লেখাপড়া করেন। সর্বশেষ শিক্ষা জীবন দৌলতপুর সরকারি বিএল কলেজ। তিনি ১৯৬২ সালে শরীফ কমিশন রিপোর্টবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেন। তিনি পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

শিক্ষাজীবন শেষে শিক্ষকতা করেন শাহাবু‌দ্দিন আহমেদ। ১৯৬৫ সালে খুলনার স্থানীয় ওয়েভ পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত হন। ৪৪ বছরের পেশাগত জীবনে সাপ্তাহিক হলিডে, বাংলাদেশ টাইমস, দি ডেইলি টেলিগ্রাফ, ডেইলি ফিন্যানশিয়াল এক্সপ্রেস ও দি ডেইলি ইনডিপেনডেন্ট পত্রিকায় কর্মরত ছিলেন। ইনডিপেনডেন্ট পত্রিকায় ১৩ বছর দায়িত্ব পালন শেষে বার্ধক্যজনিত কারণে ২০০৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর সাংবাদিকতা থেকে অবসর নেন। ১৯৭০-৭১ সালে করাচীর প্রভাবশালী দৈনিক ডন পত্রিকার খুলনাস্থ প্রতিনিধি ছিলেন।

শাহাবু‌দ্দিন আহমেদ ১৯৮০, ১৯৮২ ও ১৯৮৪ সালে অবিভক্ত খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি. ১৯৮৫-৮৬, ১৯৯২-৯৩, ১৯৯৫-৯৬, ১৯৯৯-২০০০ সালে খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি নির্বাচিত হন। সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান এবং বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকায় ২০০৮ সালে সাদা মনের মানুষ হিসেবে জেলা প্রশাসন থেকে স্বীকৃতি প্রাপ্ত হন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ