বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে কী বলছেন চিন্তাশীল আলেমরা পশ্চিমবঙ্গে ‘ইনশাআল্লাহ’, ‘জাজাকাল্লাহ’ বলে বিপাকে পুলিশ কর্মকর্তা কুমিল্লা আইনজীবী সমিতিতে ইসলামী আইনজীবী পরিষদের মতবিনিময় চামড়া শিল্পে ইতালির বিনিয়োগ ও অংশীদারত্ব বাড়ানোর উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গে মধ্যরাতে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাংলাভাষী মুসলিমদের! হারামাইনের নিরাপত্তা সব রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টায় বাংলাদেশের নিন্দা ফতোয়া ও আত্মশুদ্ধির ময়দানে মুফতি সাঈদ আহমদ রহ. সৌদিতে ১৩০০ বছরের পুরনো মসজিদের সন্ধান, দেয়ালে নবীজির নাম মক্কার নিরাপত্তা ও পবিত্রতার প্রতি হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়: জমিয়ত

চোখের সামনে স্বজনদের মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছে শিশু নাদিন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের মুহূর্মুহু বিমান হামলায় তাদের বাড়ি এখন ধ্বংসস্তূপ। চোখের সামনে বোমাবর্ষণে স্বজন-প্রতিবেশীর মৃত্যু দেখছে গাজার ১০ বছর বয়সী শিশু নাদিন আবদেল-তাইফ। এই ধ্বংসযজ্ঞ থামানোর ক্ষমতা তার নেই। ধ্বংসস্তূপের দিকে তাকিয়ে অসহায় কান্নায় ভেঙে পড়ে সে বলছে, ‘কী করব আমি? আমার কী ক্ষমতা আছে? আমার বয়স মাত্র ১০ বছর…।’ নাদিনের ওই কান্নার ভিডিও এখন অনলাইনে ভাইরাল।

এখন পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় অন্তত ১৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে ৪১ জনই শিশু। ইউনিসেফের রিপোর্ট বলছে, গাজায় সর্বনিম্ন ৬ বছর বয়সের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। যদিও সাধারণ নাগরিকদের ওপর হামলার বিষয়টি স্বীকার করতে নাচাইছে না ইসরায়েল।

ভিডিওতে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডিল ইস্ট আইকে ছোট্ট নাদিন কাঁদতে কাঁদতে বলছে, ‘কী করব আমি, বলুন? ওই ধ্বংসস্তূপ সরাবো? আমার সত্যিই ভয় করছে। আমার স্বজনদের জন্য আমি সবকিছু করতে পারি। কিন্তু কী করা উচিত এখন, সেটাই তো বুঝতে পারছি না। আমি বড় হয়ে ডাক্তার হতে চাই যাতে লোককে সাহায্য করতে পারি। কিন্তু এখন কিছুই করতে পারছি না।’

তাকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘আমি যখনই এসব দেখি, আমার কান্না পায়। শুধু ভাবি, কেন আমাদের ওপরেই হামলা হচ্ছে? বাড়ির লোকেরা বলে, আমরা মুসলিম বলে ওরা আমাদের ঘৃণা করে। এখানে এত শিশু থাকে। কেন শিশুদের ওপর বোমাবর্ষণ করছে ওরা? এটা অনুচিত।’

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ