মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬ ।। ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৩ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
সাপের কামড়ে মাদরাসাছাত্রীর মৃত্যু চিকিৎসকদের বিসিএসে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর সুপারিশ তেল, গ্যাস, সার, বিদ্যুতে অতিরিক্ত ভর্তুকি প্রয়োজন ৪২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ডেপুটি স্পিকারের নেতৃত্বে চীন সফরে যাচ্ছেন ৪ এমপি সৎ ও আদর্শবান ব্যক্তিদের নিয়ে কমিটি গঠন করুন: পীর সাহেব চরমোনাই ইসলামী ব্যাংক, জামায়াতে ইসলামী কোনোটাই ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে ইমামদের সঙ্গে প্রশাসনের মতবিনিময় সভা জেনারেল শিক্ষার্থীদের জন্য আস-সুন্নাহর ৬ মাসের ইসলামিক স্টাডিজ কোর্স সীমান্তের ৮ পয়েন্ট দিয়ে শতাধিক নাগরিককে পুশইনের অপচেষ্টা বিএসএফের আমরা কেন মওদুদি সাহেবের বিরোধিতা করি-১

শহরে ঘুরে রাতভর ভিডিও বানিয়ে সকালে লাশ হলেন ৪ টিকটকার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: পাকিস্তানের করাচিতে এক নারীসহ চার টিকটকারকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে করাচির গার্ডেন এলাকার আনক্লেসারিয়া হাসপাতালের কাছে এই ঘটনা ঘটেছে।

শহর পুলিশের জ্যেষ্ঠ সুপারইনটেনডেন্ট সরফরাজ নওয়াজ শেখ বলেন, নিহতরা সবাই সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন। বিশেষ করে তারা টিকটকে ভিডিও পোস্ট করতেন।

সিটি সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ সরফরাজ নওয়াজ শেখ বলেন, ‘নিহত চারজনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয় থাকতেন, বিশেষ করে টিকটকে। নিহতদের মধ্যে দুজন মুসকান ও আমির হচ্ছেন বন্ধু।’

জানা যায়, মুসকান ফোন করে গতকাল রাতে আমিরকে দেখা করতে বলেন। আমির একটি গাড়ি জোগাড় করে বান্ধবীর সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় রেহান ও সাজ্জাদ নামে বাকি দুজনকে নিয়ে যান।

পুলিশ কর্মকর্তা সরফরাজ বলেন, ‘চারজনই রাতে শহরে ঘুরে বেড়ান। সে সময় আমির ও মুসকান টিকটক ভিডিও তৈরি করেন। ভোররাত পাঁচটার দিকে আংক্লেসারিয়া হাসপাতালের কাছে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের হামলার শিকার হন তারা।’

তিনি জানান, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজনকে শনাক্ত করা গেছে। তারা হলেন মুসকান ও আমির। তারা বন্ধু ছিলেন। নিহতদের গাড়ির কাছে নাইন এমএম পিস্তলের গুলির খোসা পাওয়া গেছে। পরে পরিবারের সদস্যরা পুলিশ ষ্টেশনে যান এবং এফআইআর দায়ের করেন বলে তিনি জানান।

গাড়ির ভেতরে নারীকে গুলি করে হত্যা করা হয় আর বাকি তিনজনকে গাড়ির বাইরে গুলি করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরো জানান, রেহান ও সাজ্জাদ ইতিহাদ টাউন এলাকায় ফাঁকা গুলি ছুড়ে টিকটক ভিডিও তৈরি করেছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ভিডিও ভাইরাল হলে পুলিশ এই দুজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে। তবে ব্যক্তিগত বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে তিনি মনে করছেন।
হত্যার কারণ ও হত্যাকারীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে। এখন পর্যন্ত এ ঘটনার কোনো প্রত্যক্ষদর্শী পাওয়া যায়নি।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ