শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

টাঙ্গাইলে টানা ৪০ দিন জামাতে নামাজ আদায়, বাইসাইকেল পেল ৮ স্কুলছাত্র

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলায় টানা ৪০ দিন মসজিদে জামাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়, কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করাসহ দ্রুত ১০টি সুরা শিখতে পারা আট স্কুলছাত্রকে দেয়া হলো বাইসাইকেল।

সামাজিক অবক্ষয়রোধ আর স্কুলপড়ুয়া ছাত্রদের মাঝে ধর্মীয় অনুভূতি সৃষ্টির চেষ্টায় এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে উপজেলার ফাজিলহাটি ইউনিয়নের কামার নওগাঁ গাছপাড়া গ্রামের যুবসমাজ।

গত ২৩ নভেম্বর বিদ্যালয় পড়ুয়া চতুর্থ থেকে দশম শ্রেণির ১০ থেকে ১৬ বছর বয়সী ২৩ জন ছাত্র ব্যতিক্রমী এই ধর্মীয় প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। প্রতিযোগিতা শেষে শুক্রবার (১৫ জানুয়ারি) জুমার পর অংশগ্রহণকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

আয়োজক সূত্র জানায়, প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের ঘনবসতিপূর্ণ গ্রাম কামার নওগাঁ গ্রাম। ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম এটি। ফাজিলহাটি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড হলেও উপজেলার প্রত্যন্ত এই গ্রামটিতে রয়েছে চরম শিক্ষাব্যবস্থার অভাব। নেই প্রাথমিক বা মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এর ফলে গ্রামটিতে রয়েছে সামাজিক অবক্ষয়ের চরম ঝুঁকি। ঝুঁকির শঙ্কা এড়াতে স্কুল পর্যায়ের ছাত্রদের অংশগ্রহণে নেয়া হয়েছে ধর্মীয় চর্চার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।

শুক্রবার (২০ নভেম্বর) কামার নওগাঁ গ্রামের বায়তুল মামুর জামে মসজিদে শুরু হয় এ প্রতিযোগিতা। এতে অংশগ্রহণ করে ২৯ জন ছাত্র। প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র রাতুল মিয়া। এছাড়া দশম শ্রেণির ছাত্র নাসিম দ্বিতীয়, তাইম মিয়া তৃতীয়, চতুর্থ ইমন মিয়া, পঞ্চম নাজমুল মিয়া, ষষ্ঠ নিরব মিয়া, সপ্তম সিফাত ও অষ্টম হয়েছে সজিব মিয়া।

প্রতিযোগিতার আয়োজক প্রধান ফয়সাল আহম্মেদ জানান, গ্রামের সামাজিক অবক্ষয়রোধে ১০ থেকে ১৬ বছর বয়সী ছাত্রদের মোবাইল ও মাদকাসক্ত মুক্ত রাখতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

প্রতিযোগিতার বিচারক ও বায়তুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা এখলাস উদ্দিন বলেন, এ উদ্যোগের ফলে মসজিদের জামাতে নামাজ আদায়কারী ছাত্রদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকেই কোরআন পড়তে শিখেছে। প্রতিযোগিতায় নামাজ আদায়ের পাশাপাশি কোরআন শিক্ষা, সর্বোচ্চ সুরা মুখস্থকারী নির্ণয়ে নেয়া হয়েছে পরীক্ষা। এর ফলাফলের ভিত্তিতে নির্ধারণ হয়েছে বিজয়ীদের স্থান বলেও জানান তিনি।

উদ্বোধনী দিন (২০ নভেম্বর) শুক্রবার মসজিদে জামাতে ফজর নামাজ আদায় করাসহ টানা ৪০ দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়কারী চতুর্থ থেকে দশম শ্রেণিতে অধ্যায়নরত ছাত্রদের নিয়ে শুরু হয় এই প্রতিযোগিতা। এ প্রতিযোগিতায় নামাজ পড়ার পাশাপাশি নেয়া হয় কোরআন শিক্ষা গ্রহণসহ কমপক্ষে ১০টি সুরা মুখস্থ করার নিয়ম।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ